Monday, June 15, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিক‘বোর্ড অব পিস’ হলো গাজার কফিনের পেরেক

‘বোর্ড অব পিস’ হলো গাজার কফিনের পেরেক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় তিন মাসের ‘যুদ্ধবিরতি’কে একটি দুর্দান্ত সাফল্য বলে ঘোষণা করেছেন এবং এখন তিনি তার তথাকথিত ‘শান্তি পরিকল্পনার’ দ্বিতীয় পর্যায়ে এগিয়ে যেতে চান। আসলেই কি এটা কোনো সাফল্য? অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি সৈন্যরা ৪৬০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যার মধ্যে কমপক্ষে ১০০ শিশু রয়েছে।

ইসরায়েল আরও ২,৫০০টি ভবন ভেঙে দিয়েছে এবং খাদ্য, পানি ও ওষুধের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বর্বর দখলদার বাহিনী কর্তৃক সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে তাপমাত্রা হ্রাসের সাথে সাথে কমপক্ষে আটটি শিশুর শীতজনিত মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

আর এদিকে ‘নতুন’ পর্যায়ে উত্তরণের সূচনা করে ট্রাম্প গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ ঘোষণা করেছেন। এখানে ‘পিস’ বা ‘শান্তি’ শব্দটি ‘যুদ্ধবিরতি’ শব্দটির মতোই অরওয়েলিয়ান সেন্সে (যা অবাস্তব এবং সত্যের বিপরীত) ব্যবহৃত হচ্ছে। মূলত শব্দটিকে ন্যারেটিভ নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে আসলে ‘শান্তি’ মানে হলো গাজায় ফিলিস্তিনি জীবনের চূড়ান্ত মূলোৎপাটন।

'বোর্ড অব পিস' এর তিনজন উল্লেখযোগ্য সদস্য। বাম থেকে ট্রাম্প, কুশনার ও উইটকফ
‘বোর্ড অব পিস’ এর তিনজন উল্লেখযোগ্য সদস্য। বাম থেকে ট্রাম্প, কুশনার ও উইটকফ

এখানে ট্রাম্প গোষ্ঠীর ন্যারেটিভটা হলো, হামাসকে নিরস্ত্র করার পর এই বোর্ডটি গাজার পুনর্গঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গির মানে হলো যে গাজার শান্তি আসলে হামাসের কারণেই বিঘ্ন হচ্ছে। আর তারা এটাও মনে করে যে এরপর ইসরায়েলের দুই বছরের গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের জীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠবে, যদিও কোনো পশ্চিমা নেতা এটিকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকার করছেন না। এমনকি এই আক্রমণে আসলে কতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে তাও তারা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন না।

কিন্তু শান্তি কোনোভাবেই এই বোর্ডের লক্ষ্য নয়। এটি যতটা না রাজনৈতিক ভূমিকা রাখবে, তার চাইতে বেশি রাখবে ব্যবসায়িক ভূমিকা। আর এর মাধ্যমে গাজার ‘রূপান্তর’ থেকে ট্রাম্প যে ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করতে চান তারও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তার পরিকল্পনা হলো জাতিসংঘ এবং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজার ভাগ্যের উপর যেকোনো নজরদারি থেকে দূরে রাখা।

ল্যাবের ইঁদুর?

ট্রাম্পের এই ‘বোর্ড অব পিস’ এর লক্ষ্য কেবল গাজা দখল করা নয়, বরং এর চাইতেও বড় কিছু। বাস্তবে রাজধানীতে পাঠানো বোর্ডের তথাকথিত সনদে ছিটমহল এবং এর ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করা হয়নি। আবার আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো ফাঁস হওয়া একটি আমন্ত্রণপত্রে, ট্রাম্প বোর্ডকে ‘বিশ্বব্যাপী সংঘাত সমাধানের জন্য একটি সাহসী নতুন পদ্ধতি’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

এদিকে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন যে ইসরায়েল এবং আমেরিকা অস্ত্র ও নজরদারি প্রযুক্তি (surveillance technology) পরীক্ষা করার জন্য ফিলিস্তিনিদেরকে ল্যাবের ইঁদুর (যাদেরকে শুধু ইচ্ছেমতো পরীক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়) হিসেবে দেখে। দুই বছরের গণহত্যার শুরু থেকেই ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমগ্র গাজাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে বোমা মেরে ছিটমহলের বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল, সরকারি ভবন এবং বেকারি ধ্বংস করে দিয়েছে।

আর ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব এই নৃশংসতাকে আরও গভীর করে তুলছে। ‘বোর্ড অব পিস’ এর এই খেলা মূলত উপনিবেশবাদের একটি গর্জন।

যুদ্ধই ‘শান্তি’

কিছু জরুরি বিষয়ের উপর পাঠকদের দৃষ্টি আনতে চাই। এই মাসেই হোয়াইট হাউস ঘোষণা করেছে যে আমেরিকা ৬৬টি বৈশ্বিক সংস্থা এবং চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে – যার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই জাতিসংঘের সাথে সম্পর্কিত।

ইতিমধ্যে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার জন্য আইসিসির (ICC) বিচারক এবং প্রসিকিউটররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছেন। গণহত্যার জন্য ইসরায়েলের তদন্তকারী আইসিজে (ICJ) মনে হচ্ছে নীরবতায় ডুবে আছে।

আবার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ট্রাম্পের অপহরণ এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট প্রমাণ যে ইতিমধ্যেই অকার্যকর, আন্তর্জাতিক ‘নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থা’ এখন ভেঙে পড়েছে। ‘জাতিসংঘ’ এবং পশ্চিমাদের তথাকথিত প্রতিরক্ষা জোট ‘ন্যাটো’ উভয়ই বিপর্যয়ের মুখে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি আর শান্তি শুধুই ফাঁকা বুলি
গাজায় যুদ্ধবিরতি আর শান্তি শুধুই ফাঁকা বুলি

আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট আশা করেন যে তার ‘বোর্ড অব পিস’ জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক আইনকে প্রতিস্থাপন করবে। এক্ষেত্রে গাজার পুনর্গঠন তাদের প্রথম কাজ হতে পারে, কিন্তু ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষা আরও অনেক বড়। আপনি কি বুঝতে পারছেন কী হতে চলেছে?

ট্রাম্পের ভাবমূর্তির অনুকরণে গড়ে ওঠা নতুন বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে এই বোর্ড দাঁড়িয়ে আছে। ক্ষমতাধর অভিজাতদের অর্থ উপার্জনের নগ্ন, শিকারী প্রবৃত্তির উপর ভিত্তি করে কোটিপতি এবং তাদের অনুসারীরা প্রকাশ্যে দুর্বল দেশগুলির ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সম্প্রতি নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক বিতর্কিত চিঠিতে ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় বলেছেন, “আমি আর কেবল শান্তি নিয়ে চিন্তা করার বাধ্যবাধকতা অনুভব করি না।”

তাহলে ট্রাম্পের ‘শান্তির বোর্ড’ এর অর্থ কী? অরওয়েলের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যদি বলি, তাহলে উত্তর হলো, “যুদ্ধই শান্তি।”

ট্রাম্প ইউনাইটেড নেশনস

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথা মনে আছে? ইংল্যান্ডের রানী প্রথম এলিজাবেথ কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত বিশাল সামরিকায়িত কর্পোরেশন, যা দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের বেশিরভাগ অংশ লুট করে, লুট করে আমাদের এই উপমহাদেশ। এর ফলে মৃত্যু এবং দুর্দশা খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে। মনে পড়ছে?

ট্রাম্পও এই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন বলেই মনে করা যায়। তিনি এই বোর্ডের অন্তরালে নতুন সাম্রাজ্যবাদী ব্যবসায়িক উদ্যোগের শীর্ষে বসেছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাম্প প্রায় ৬০ জন জাতীয় নেতাকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি ইচ্ছেমতো সদস্য নিয়োগ দিচ্ছে এবং যখনই উপযুক্ত মনে করবেন তাদের সদস্যপদ বাতিল করতে পারেন। বোর্ড কখন বসবে এবং কী নিয়ে আলোচনা করবে তা তিনিই সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর একারই ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

মনে হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার মেয়াদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার সময়কালের বাইরেও দীর্ঘ হতে পারে। অন্য সদস্যদের জন্য রয়েছে তিন বছরের মেয়াদ। ট্রাম্পের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নতুন বিকল্প হিসেবে এই বোর্ডের একটি স্থায়ী আসন ১ বিলিয়ন ডলারের নগদ তহবিল দিয়ে কেনা যাবে।

বোর্ড অব পিস। ছবিঃ Vietnam Today
বোর্ড অব পিস। ছবিঃ Vietnam Today

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, মরক্কো, বেলারুশ, হাঙ্গেরি এবং আর্জেন্টিনার বেশ ক’জন রাজনৈতিক নেতা প্রাথমিকভাবে এই বোর্ডের সদস্য হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শীর্ষ টেবিলে স্থান পাওয়ার কথা বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।

এসকল কারণে একজন রয়টার্সকে বলেছেন, “এটি (বোর্ড অব পিস) একটি ‘ট্রাম্প জাতিসংঘ (Trump United Nations)’, যা জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতিগুলিকে উপেক্ষা করে।” জাতিসংঘ নিয়ে পশ্চিমারা অনেক নাটকই মঞ্চস্থ করেছে। এখন সেই জাতিসংঘসহ যেকোনো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে টপকে এক নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে ছুটছে সাম্রাজ্যবাদীরা, যার বাহ্যিক নেতৃ্ত্বে আছে ডোনাল্ড ট্রাম্প।

কয়েক দশকের চ্যালেঞ্জ

ট্রাম্প গাজার পুনর্গঠনের জন্য পাঁচ বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু এটা বাস্তবসম্মত মনে হয় না। ইসরায়েল যদি আগামীকাল তাদের অবরোধ বন্ধ করে দেয়, তবুও গাজা পুনর্গঠন করতে এবং ২১ লাখ বাসিন্দার মধ্যে যারা বেঁচে আছে তাদের বাসস্থান তৈরি করতে কয়েক দশক সময় লাগবে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির অনুমান অনুসারে, সর্বোত্তম পরিস্থিতিতে প্রায় ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে ৭ বছর সময় লাগতে পারে। জাতিসংঘের অন্যান্য জরিপে ২০ বছরের আরও বাস্তবসম্মত সময়সূচীর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যেখানে অবিস্ফোরিত অস্ত্র পরিষ্কার করতে ১০ বছর সময় লাগবে।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন শাখা আরও সতর্ক করে বলেছে যে ইসরায়েল গাজায় ৭০ বছরের মানব উন্নয়নের ধারা মুছে ফেলেছে এবং প্রায় ৯০% ফসলি জমি ধ্বংস করেছে, যার ফলে এখন পর্যন্ত রেকর্ড অনুসারে সবচেয়ে বাজে অর্থনৈতিক পতন ঘটেছে। গাজার স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, লাইব্রেরি এবং সরকারি অফিস সবই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাই ৫ বছরের পরিকল্পনা আসলে কোনো কাজে লাগার মতো বলে মনে হয় না।

গাজা কি আবার হাসবে?
গাজা কি আবার হাসবে?

বাস্তবতা হলো, গাজায় জনজীবন পুনরুদ্ধারের পথে এই বিশাল বাধাগুলি ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় খুব একটা অন্তর্ভুক্ত নয়। অথবা আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, ট্রাম্পের গাজার পরিকল্পনা গাজার জনগণের জন্য নয়। গত দুই বছর ধরে ইসরায়েলের গোপন লক্ষ্য ছিল গাজার ব্যাপক জাতিগত নির্মূল অভিযান। ‘কার্পেট বোম্বিং’ এর উদ্দেশ্য ছিল এই অঞ্চলটিকে সম্পূর্ণরূপে বসবাসের অযোগ্য করে তোলা।

আর ট্রাম্পের পরিকল্পনা জায়োনিস্টদের সেই আকাঙ্কার সাথে সাংঘর্ষিক নয়, বরং এটি এর পরিপূরক। তার ‘বোর্ড অব পিস’ হলো ইসরায়েলের চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যম।

উপসংহার 

লেখাটা ইতিমধ্যে অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনার ফিরিস্তি তুলে ধরতে গেলে শেষ হবে বলে মনে হয় না। গাজায় নতুন ট্রাম্পবাদী বিশ্বব্যবস্থার রূপরেখা তৈরি হচ্ছে। এই ক্ষুদ্র ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডেই ভেনেজুয়েলা এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের রাস্তা তৈরি হচ্ছে। বিশ্ব এক সংঘাত পেরিয়ে নতুন সংঘাতের দিকে পৌঁছাচ্ছে। শান্তির ব্যানারে যুদ্ধ সংগ্রাম নতুন মোড় নিচ্ছে।

(প্রবন্ধটি লেখা হয়েছে মিডল ইস্ট আই এ প্রকাশিত জোনাথোন কুকের লেখা Trump’s ‘Board of Peace’ is the nail in Gaza’s coffin শিরোনামের আর্টিকেল থেকে। তবে জোনাথোন কুকের ব্যক্তিগত মতাদর্শ দ্বারা বাংলায় লেখা এই প্রবন্ধটি অথবা তার লেখক প্রভাবিত নন।)

SourceThe Aasr

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

two × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য