Thursday, June 4, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরযুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে শোনা যাবে আজানের ধ্বনি

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে শোনা যাবে আজানের ধ্বনি

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপলিসে শিগগিরই ধ্বনিত হবে আজানের ধ্বনি। শহরের মসজিদগুলো কোনো অনুমতি গ্রহণ ছাড়াই আজান প্রচারে লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে পারবে। শর্ত হলো শহর কর্তৃপক্ষের নির্দেশিত শব্দ বিষয়ক বিধিমালা লঙ্ঘন করতে পারবে না। মিনিয়াপলিস সিটি কাউন্সিলের সদস্য জামাল উসমান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মসজিদগুলোকে সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতিদিন এবং সারা বছর একাধিকবার আজান প্রচারের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে ফজরের আজানে লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। সিটি কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে আজান প্রচার ও রমজান উদযাপন বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মিনিয়াপলিস শহরের খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুসারে গির্জার ঘণ্টা বাজানো হয়। এতে তাদের বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটে। মুসলিমদের ক্ষেত্রে আজানের ভূমিকাও অনুরূপ। মিনিয়াপলিসের হাজার হাজার মুসলিম এখন বিশ্বাস করতে পারবে এখানে সবাই সমান।

তবে মুসলিম নাগরিক অধিকার ও আইনি সহায়তা বিষয়ক সংগঠন ‘দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস’-এর স্থানীয় প্রতিনিধি সময়ের সীমাবদ্ধতাকে মুসলমানের নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটি মসজিদের সাধারণভাবে আজান প্রচারের অনুমতি আছে মর্মে অধ্যাদেশ জারির আবেদন করেছে নগর কর্তৃপক্ষের কাছে। সংগঠনের উপনির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, আমেরিকান সংবিধানে ধর্মচর্চায় কোনো বাধা নেই। সিটি কাউন্সিলের সদস্য জামাল উসমান বলেন, যদি কিছু মসজিদ ফজরের আজান প্রচার করতে চায়, তবে আমরা তা নিয়ে কথা বলতে পারি। তবে এটি আনন্দ উদযাপনের সময় এবং কমিউনিটির বহু মানুষ এতে সন্তুষ্ট।

মিনিয়াপলিস শহরে কমপক্ষে ২০টি মসজিদ আছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই রাজ্যে দেড় লাখের বেশি মুসলমান বসবাস করে। মিনিয়াপলিস শহরে এত দিন শুধু মসজিদ ও মুসলিম অবকাঠামোর ভেতর আজান দেওয়ার অনুমতি ছিল। স্থানীয় মুসলিমদের অনেকেই আজানের সময়ের জন্য স্মার্টফোনের প্রেয়ার অ্যাপের ওপর নির্ভর করত। অবশ্য এর আগে ২০২০ সালে শহরের প্রথম মসজিদ হিসেবে মসজিদে দারুল হিজরাহ রমজানে আজান প্রচারের অনুমতি পায় এবং কোনো বাধা ছাড়াই দুই বছর রমজানে আজান প্রচার করে।

তথ্যসূত্র : স্টার ট্রিবিউন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen − 4 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য