عَن عَائِشَة قَالَتْ: تَلَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَات محكمات)
وَقَرَأَ إِلَى: (وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ)
قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَإِذَا رَأَيْتَ وَعِنْدَ مُسْلِمٍ: رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ فَأُولَئِكَ الَّذِينَ سَمَّاهُمُ الله فاحذروهم
’আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এ আয়াত পাঠ করলেন- অর্থাৎ- ’’তিনি তোমার ওপর এ কিতাব নাযিল করেছেন, যার কতক আয়াত মুহকাম’’ হতে ’’আর বোধশক্তি সম্পন্নরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা লাভ করে না’’ পর্যন্ত- (সূরাহ্ আ-লি ’ইমরান ৩: ৭)।
’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে সময় তুমি দেখবে, মুসলিমের বর্ণনায় আছে, ’যখন তোমরা দেখ যে, লোকেরা কুরআনের ’মুতাশাবিহ’ আয়াতের অনুসরণ করছে (তখন মনে করবে), এরাই সে সকল লোক আল্লাহ তা’আলা (বাঁকা হৃদয়ের লোক বলে) যাদের উল্লেখ করেছেন। সুতরাং তাদের থেকে সতর্ক থাকবে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : বুখারী ৪৫৪৭, মুসলিম ২৬৬৫, তিরমিযী ২৯৯৪, আবূ দাঊদ ৪৫৯৮, ইবনু মাজাহ্ ৪৭, আহমাদ ২৬১৯৭, দারেমী ১৪৭।
ব্যাখ্যা: হাদীসে বর্ণিত মুহ্কাম এবং মুতাশাবিহ সম্পর্কে হাকিম ইবনু হাজার আল্ আসকালানী বলেছেনঃ কুরআনে বর্ণিত মুহকাম হলো, যার অর্থ সুস্পষ্ট। আর মুতাশাবিহ হলো, যার অর্থ সুস্পষ্ট নয়।
‘আল্লামা নাবাবী বলেছেনঃ এ হাদীস দ্বারা সাধারণ মানুষকে ঐ সকল ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলা-মেশা করা থেকে সতর্ক করা হয়েছে যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে এবং যারা বিদ্‘আতী আর যারা ফিৎনার উদ্দেশে সমস্যামূলক বিষয়ের অনুসরণ করছে। তবে জানার উদ্দেশে শালীনতা বজায় রেখে কেউ প্রশ্ন করলে তাতে কোন সমস্যা নেই এবং তার উত্তর দেয়াও আবশ্যক।
