Tuesday, June 30, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদাওয়ারাসূল গৃহ অভ্যন্তর এবং আত্মীয়-স্বজন

রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের] গৃহ অভ্যন্তর এবং আত্মীয়-স্বজন

গৃহ অভ্যন্তর:


আমাদেরকে ঘরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে, এখন আমরা মুসলিম উম্মাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাড়ীর ভিতর অবস্থান নিয়েছি, ভাল করে সব কিছু অবলোকন করার জন্য।

এখন আমাদের সামনে সাহাবায়ে কিরাম তাঁর বাড়ীর বিছানা, আসবাব পত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র সম্পর্কে অবহিত করবেন।

আমরা সাধারণত জানি যে, কারো ঘর ও কক্ষের দিকে তাকানো বাঞ্ছনীয় নয়, তবে আদর্শ শিক্ষার জন্য এ সম্মানিত ঘরের কিছু আমরা অবলোকন করব। এ ঘর যার ভিত্তি তো বিনয় এবং মূলধন হল ঈমান, আপনি কি দেখছেন না যে, এ ঘরের দেয়ালে কোন প্রকার জীবের ছবি নেই, যা আজকের দিনে অনেক লোক লটকিয়ে থাকে। এ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন:

«لا تدخل الملائكة بيتًا فيه كلب ولا تصاوير»،

“যে বাড়ীতে কোন প্রকার জীবের ছবি ও কুকুর থাকে সে বাড়ীতে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না”।[1]

এবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত কিছুর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন।

সাবেত রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন:

أخرج إلينا أنس بن مالك قدح خشب، غليظًا مضببًا بحديد فقال: يا ثابت هذا قدح رسول الله – صلى الله عليه وسلم -. وكان – صلى الله عليه وسلم – يشرب فيه الماء والنبيذ والعسل واللبن.

“একদা আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের সামনে লোহার পাত দিয়ে বাঁধাই করা কাঠের তৈরি এক পাত্র নিয়ে উপস্থিত হয়ে বললেন: হে সাবেত! এ হল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যবহৃত পাত্র”। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ পাত্রে পানি, খেজুর সরবত, মধু ও দুধ পান করতেন[2]।

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«أن رسول الله – صلى الله عليه وسلم – كان يتنفس في الشراب ثلاثًا». يعني: يتنفس خارج الإناء.

“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করার সময় পাত্রের বাইরে তিনবার শাস ফেলতেন”।[3]

ونهى عليه الصلاة والسلام «أن يتنفس في الإناء أو ينفخ فيه».

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করার সময় পাত্রের ভিতর শাস ফেলতে ও ফু দিতে নিষেধ করেন।[4]

আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে লৌহ-বর্মটি জিহাদের ময়দানে, যুদ্ধাভিযান ও অন্যান্য কঠিন মূহুর্তে ব্যবহার করতেন তা হয়তো বর্তমানে তার ঘরে নেই। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন ‘সা’ জবের বিনিময় এক ইয়াহুদীর নিকট সেটি বন্ধক রেখেছিলেন। যেমন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন:

ومات الرسول – صلى الله عليه وسلم – والدرع عند اليهودي.

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মৃত্যু বরণ করেন তখন তার লৌহ-বর্মটি ইয়াহুদীর নিকট বন্দক ছিল।[5]

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিবারকে আতঙ্কে ফেলার জন্য কখনো হঠাৎ করে ঘরে প্রবেশ করতেন না। বরং তিনি পরিবারকে পূর্বে অবহিত করেই ঘরে প্রবেশ করতেন এবং প্রবেশ করার সময় তাদের প্রতি সালাম দিতেন।[6]

উজ্জ্বল দৃষ্টি ও উদার হৃদয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ হাদিসটি অনুধাবন করুন তিনি বলেন,

«طوبى لمن هدي إلى الإسلام، وكان عيشه كفافًا وقنع»،

“সৌভাগ্য তো ইসলামের পথে হিদায়েত প্রাপ্তদের জন্য, এমতাবস্থায় তার জীবনোপকরণও যথেষ্ট ও তুষ্টি পূর্ণ”।[7]

আরও একটি মহান হাদিসের দিকে কর্ণপাত করুন, যাতে তিনি বলেন:

«من أصبح آمنًا في سربه معافى في جسده، عنده قوت يومه، فكأنما حيزت له الدنيا بحذافيرها».

“যে ব্যক্তি স্বীয় গোত্রে নিরাপদে বসবাস করেছে, শারীরিক ভাবেও সে সুস্থ ও তার নিকট রয়েছে সে দিনটির পরিপূর্ণ খাবার, তাহলে লোকটি এমন যেন, সারা দুনিয়ার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যও তার মুঠোই রয়েছে”।[8]

[1] বুখারী, হাদিস: ৫৯৪৯
[2] তিরমিযী
[3] বুখারী, হাদিস: ৬৫৩১ মুসলিম, হাদিসি: ২০২৮
[4] তিরমিযী, হাদিস: ১৯০৭
[5] বুখারী ও মুসলিম
[6] যাদুল মা’আদ ২/৩৮১
[7] তিরমিযী, হাদিস: ২৩৪৯
[8] তিরমিযী, হাদিস: ২৩৪৬

আত্মীয়-স্বজন:


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আত্মীয় সম্পর্ক অটুট রাখার ব্যাপারে কি পরিমাণ পরিপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন, যা বলে শেষ করা যাবে না। এমন কি মক্কার কাফের কুরাইশরা পর্যন্ত তাঁর প্রশংসা করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং নবুয়তের পূর্বে তাঁকে মহা সত্যবাদী ও আল-আমীন উপাধিতে ভূষিত করেছিল। আর তাঁর স্ত্রী খাদীজা তাকে এ কথাগুলি বলে প্রবোধ দিয়ে বর্ণনা করেন:

«إنك لتصل الرحم وتصدق…»

“আপনি তো আত্মীয়তা অটুট রাখেন ও সর্বদায় সত্য কথা বলেন…।”

এতো সেই ব্যক্তি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিনি শ্রেষ্ঠ অধিকার ও সর্ব বৃহৎ দায়িত্বসমূহ পালন করেন.. তিনি তাঁর সাত বছর বয়সে ইন্তেকাল করা মাতার কবর যিয়ারত করেন। আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন:

زار النبي – صلى الله عليه وسلم – قبر أمه، فبكى وأبكى من حوله فقال: «استأذنت ربي في أن أستغفر لها فلم يأذن لي، واستأذنته في أن أزور قبرها فأذن لي، فزوروا القبور، فإنها تذكر الموت».

“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাতার কবর যিয়ারত কালে কান্না করেন ও তার কান্নায় উপস্থিত সকলেই কাঁদেন। অত:পর তিনি বলেন: “আমি স্বীয় প্রভুর নিকট তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুমতি চেয়েছিলাম কিন্তু তিনি অনুমতি দেননি, পরে আমি তাঁর সমীপে তার কবর যিয়ারতের অনুমতি চাইলে তিনি আমাকে অনুমতি দেন। অতএব, হে আমার উম্মত! তোমরা কবর যিয়ারত করো, কেননা তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়।”[1]

লক্ষ্য করুন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক স্বীয় আত্মীয় স্বজনদের প্রতি ভালবাসা ও সৎ পথের দাওয়াত দেয়ার আগ্রহ ও তাদের হিদায়েত প্রাপ্তি ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ছিল কত প্রবল। আর এ পথে তিনি কত দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেছেন।

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

لما نزلت هذه الآية: ( وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ ) ، دعا رسول الله – صلى الله عليه وسلم – قريشًا فاجتمعوا فعمَّ وخصَّ، وقال: «يا بني عبد شمس، يا بني كعب بن لؤي أنقذوا أنفسكم من النار، يا بني مرة بن كعب أنقذوا أنفسكم من النار، يا بني عبد مناف أنقذوا أنفسكم من النار، يا بني هاشم أنقذوا أنفسكم من النار، يا بني عبد المطلب أنقذوا أنفسكم من النار، يا فاطمة أنقذي نفسك من النار، فإني لا أملك لكم من الله شيئًا غير أن لكم رحمًا سأبلها ببلالها».

যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল: “وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ” অর্থাৎ “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দেরকে ভয় প্রদর্শন করুন।”[সূরা শুয়ারা: ২১৪] তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশদের সকল স্তরের লোকদেরকে আহ্বান করে একত্রিত করে বলেন: “হে বনী আবদে শামস, হে বনী কা’ব বিন লুয়িই তোমরা নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো। হে বনী আবদে মানাফ! তোমরা নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো। হে বনী আব্দুল মুত্তালিব! তোমরা নিজেদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করো। হে ফাতেমা! তুমি নিজেকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করো[2]।

কেননা কিয়ামত দিবসে আমি আল্লাহর কাছে তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। তবে আমি এ ধরাতে তোমাদের সাথে আত্মীয়তা সম্পর্ক ঠিক রাখবো।

তিনি সেই প্রিয় নবী, যিনি তাঁর চাচা আবু তালিবকে দাওয়াত দিতে কোন বিরক্ত হননি ও কোন প্রকার ত্রুটি করেননি, বিভিন্ন পন্থায় তাকে একের পর এক দাওয়াত দিয়েছেন। এমনকি তিনি তার মৃত্যুর সময়ে তার নিকট এসেছেন:

«لما حضرت أبا طالب الوفاة دخل عليه النبي – صلى الله عليه وسلم – وعنده أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية فقال: «أي عم، قل لا إله إلا الله كلمة أحاج لك بها عند الله عز وجل»، فقال أبو جهل وعبد الله بن أبي أمية: يا أبا طالب أترغب عن ملة عبد المطلب؟ قال: فلم يزالا يكلمانه حتى قال آخر شيء كلمهم به، على ملة عبد المطلب».
فقال النبي – صلى الله عليه وسلم -: «لأستغفرن لك مالم أنه عنك» فنزلت: ( مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آَمَنُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ وَلَوْ كَانُوا أُولِي قُرْبَى مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُمْ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ ) قال: ونزلت: ( إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ ) ».

“যখন আবু তালিব মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে উপনীত হয়েছে তখন তার নিকট রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করেন, সে মুহূর্তে তার নিকট উপস্থিত ছিল আবু জেহেল, আবুল্লাহ বিন আবি ওমাইয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: হে আমার চাচা! আপনি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মাবূদ নেই’ কালেমাটি পাঠ করুন, যাতে করে কিয়ামত দিবসে আমি আল্লাহর কাছে প্রমাণ পেশ করে সুপারিশ করতে পারি। এ সময় আবু জেহেল ও আব্দুল্লাহ বিন আবি ওমাইয়া বলল: ওহে আবু তালেব! শেষ পর্যন্ত কি তুমি আব্দুল মুত্তালিব এর ধর্মকে বিসর্জন দিতে যাচ্ছ? তারা বার বার এ কথাটি আবৃত্তি করতে লাগল, অবশেষে আবু তালিব সর্ব শেষ যে কথাটি বলল: তা হল: “আমি আব্দুল মুত্তালিব এর ধর্মের উপরেই।”

অত:পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আমাকে যতক্ষণ পর্যন্ত নিষেধ না করা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেই থাকব। পরে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়:

﴿ مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَن يَسۡتَغۡفِرُواْ لِلۡمُشۡرِكِينَ وَلَوۡ كَانُوٓاْ أُوْلِي قُرۡبَىٰ مِنۢ بَعۡدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمۡ أَنَّهُمۡ أَصۡحَٰبُ ٱلۡجَحِيمِ ١١٣ ﴾ [التوبة: ١١٣]

অর্থাৎ: নবী ও অন্যান্য মু’মিনদের জন্য বৈধ নয় যে, তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে, যদিও তারা আত্মীয় হয়, একথা প্রকাশ হওয়ার পর যে তারা জাহান্নামের অধিবাসী।[3]

﴿ إِنَّكَ لَا تَهۡدِي مَنۡ أَحۡبَبۡتَ ٥٦ ﴾ [القصص: ٥٦]

অর্থাৎ: হে নবী [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]! আপনি যাকে চাইবেন তাকেই হেদায়েত করতে পারবেন না।[4]

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু তালিবের জীবদ্দশায় তাকে অনেক বার ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন এমনকি তার জীবনের শেষ মূহুর্ত গুলিতেও। অত:পর তার মৃত্যুর পর নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার প্রতি সদ্ব্যবহার ও দয়া পরবশ হয়ে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন। তারপর তিনি আল্লাহর নির্দেশ শ্রবণ ও অনুসরণের নিমিত্তে নিকটাত্মীয় মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা হতে বিরত থাকেন। এ হল তাঁর উম্মতের প্রতি দয়ার চিত্রের মধ্য হতে কতিপয় মহৎ চিত্র। অত:পর পরিশেষে এ মহান দ্বীনে মিত্রতার ও কাফের-মুশরিকদের সাথে বৈরিতার চিত্রও প্রকাশিত হয়েছে যদিও তারা নিকটাত্মীয়ও হয়।

نبي أتانا بعد يأس وفترة من الرسل، والأوثان في الأرض تعبد

فأمسى سراجاً مستنيراً وهادياً يلوح كما لاح الصقيل المهند

وأنذرنا ناراً، وبشر جنة وعلمنا الإسلام فلله نحمد

আরবি কবি বলেন:

নবী-রাসূলদের আগমনের সাময়িক ধারা বিচ্ছিন্নতা উপেক্ষা ও সকল নিরাশা ভেদ করে আমাদের নিকট আগমন করেন একজন নবী যখন বিশ্বজগতে চলত ব্যাপক মূর্তি পূজা।অত:পর তিনি আলোকময় উজ্জ্বল প্রদীপ ও দিশারীতে পরিণত হন এবং তিনি উদ্ভাসিত হয়ে উঠেন যেমন উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল সেই বিখ্যাত হিন্দুস্তানি চকচকে তরবারি। তিনি আমাদেরকে জাহান্নাম হতে ভীতি প্রদর্শন করেন ও জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেন এবং আমাদেরকে ইসলামের বিধি-বিধান শিক্ষা দেন। সুতরাং আল্লাহরই আমরা প্রশংসা করি।

>
[1] মুসলিম, হাদিস: ৯৭৬

[2] মুসলিম, হাদিস: ২০৪

[3] সূরা তাওবা, আয়াত: ১১৩

[4] সূরা কাসাস, আয়াত: ৫৬ আহমাদ, হাদিস: ২৩৬৪৭; বুখারী, হাদিস: ১৩৬০; মুসলিম, হাদিস: ২৪

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nine − one =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য