عَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ نَتَذَاكَرُ الْمَسِيحَ الدَّجَّالَ فَقَالَ: «أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِمَا هُوَ أَخْوَفُ عَلَيْكُمْ عِنْدِي مِنَ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ؟» فَقُلْنَا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: «الشِّرْكُ الْخَفِيُّ أَنْ يَقُومَ الرَّجُلُ فَيُصَلِّيَ فَيَزِيدَ صَلَاتَهُ لِمَا يَرَى مِنْ نَظَرِ رجلٍ» . رَوَاهُ ابْن مَاجَه
আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা মাসীহ-দাজ্জাল সম্পর্কে একে অপরের মাঝে আলোচনা করছিলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের কাছে এসে বললেন, সাবধান! আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি ব্যাপারে অবগত করব না যা আমার নিকট তোমাদের জন্য মাসীহ-দাজ্জাল হতেও অধিক ভয়ানক? আমরা বললাম, হ্যা, বলুন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি (সাঃ) বললেন, তা হলো গোপনীয় শিরক অর্থাৎ কোন ব্যক্তি সালাতে দাঁড়িয়ে এজন্য সালাতকে দীর্ঘায়িত করে যে, তার সালাত কোন ব্যক্তি দর্শন করছে। (ইবনু মাজাহ)
হাসান: ইবনু মাজাহ ৪২০৪, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২৭, সহীহুল জামি’ ২৬০৭।
ব্যাখ্যা : (أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِمَا هُوَ أَخْوَفُ عَلَيْكُمْ عِنْدِي) আমি কি তোমাদেরকে সংবাদ দিব না বা শিখিয়ে দিব না যা আমার নিকট তথা আমার শারী’আতে তোমাদের জন্য অধিক ভয়ের কারণ হবে দাজ্জালের ফিতনার চাইতেও। কেননা দাজ্জালের প্রকাশের সময় ও তার ফিতনাহ্ নির্ধারিত এবং তোমাদের জন্য তা থেকে হিফাযাত থাকা সম্ভব।
(فَقُلْنَا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ) আমরা বললাম, হ্যা! হে আল্লাহর রসূল! আমাদেরকে অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন, (الشِّرْكُ الْخَفِيُّ) লুক্কায়িত শিরক। আর তা হলো কোন ব্যক্তি সালাতের কোন রুকন লম্বা করবে অথবা সালাতের ধরণ পরিবর্তন করবে অথবা সংখ্যাকে বাড়িয়ে দিবে এ কারণে যে, লোকে তার সালাত দর্শন করছে। আল্লাহ যে তাকে দেখছে সেটাকে সে মনেই করবে না। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।
