Wednesday, April 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরমাকে ভালোবেসে নির্মাণ দ্বিতীয় তাজমহল

মাকে ভালোবেসে নির্মাণ দ্বিতীয় তাজমহল

মোগল সম্রাট শাহজাহানের নির্মাণ করা তাজমহলের পর ভারতে নির্মিত হলো তাজমহলের আদলে তৈরি আরো এক তাজমহল।

তবে এই দ্বিতীয় তাজমহল তৈরি হয়েছে দক্ষিণ ভারতে। সম্রাট শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন তার স্ত্রী মমতাজের স্মৃতির উদ্দেশে। সমগ্র পৃথিবীতে যা ভালোবাসার নিদর্শন রূপে পরিচিত। এমনকি বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম এই স্মৃতিসৌধ। তবে এবার ভালোবাসার জন্য নয় স্রেফ নিজের মাকে ভালোবেসে তার স্মৃতি রক্ষার্থে ভারতে দ্বিতীয় তাজমহল গড়লেন তামিলনাড়ুর ব্যবসায়ী অমরউদ্দিন শেখ দাউদ।

তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ে তিরুভারুর জেলার আম্মাইপ্পানের বাসিন্দা অমরউদ্দিন শেখ দাউদ। তার বয়স যখন মাত্র ১১ বছর, তখনই তার বাবার অকালমৃত্যু ঘটে। এরপর থেকে একটি হার্ডওয়্যারের দোকান চালিয়ে চার মেয়ে এবং এক ছেলেকে নিয়ে একাই সংসারের ভার সামলেছিলেন তার মা আব্দুল কাদার জিলানি বিবি। স্নাতক হওয়ার পর চেন্নাইয়ে নিজের ব্যবসা শুরু করেন অমরউদ্দিন। ২০২০ সালে মা জিলানি বিবি মারা যাওয়ার পরই তার স্মৃতিতে তাজমহলের আদলে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন অমরউদ্দিন।

ছোট বয়সে বাবাকে হারানোর পর মা-ই অমরউদ্দিনের পৃথিবীতে একমাত্র ভরসা ছিলেন। তাই মায়ের মৃত্যু তাকে খুবই ব্যথিত করে তোলে। তিরুবরুরে নিজের জমিতেই মায়ের দেহ কবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অমরউদ্দিন। একইসঙ্গে মায়ের স্মৃতিতে তাজমহলের মতো স্মারক তৈরি করতে চান তিনি। তার এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল তার পরিবারও।

তাজমহলের স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করার জন্য অমিরউদ্দিন রাজস্থান থেকে মার্বেল এবং দক্ষ শ্রমিক আনার ব্যবস্থা করেন। ২০২১ সালের জুন মাস থেকে কাজ শুরু হয়। দু’ বছর ধরে স্থানীয় শ্রমিকদের সাথে মিলিতভাবে দু’ শ’রও বেশি মানুষ মিলে এই স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলেন। চলতি বছরে জুন মাসের ২ তারিখে এই স্মৃতিসৌধটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মোচন করে দেয়া হয়েছে।

অমরউদ্দিন জানিয়েছেন, সমগ্র স্মৃতিসৌধটি গড়ে তুলতে খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ কোটি রুপি। তার মা নিজেই কয়েক কোটি টাকা রেখে গিয়েছিলেন। ওই টাকা খরচ করেই তিনি মায়ের স্মৃতির উদ্দেশে তাজমহলের মতো স্মৃতিসৌধ গড়ে তুলেছেন। এই সৌধতে সব ধর্মের মানুষই শ্রদ্ধা জানাতে আসতে পারেন।
সূত্র : আজকাল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

8 − five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য