Thursday, June 11, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদাওয়াআমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত কিছু কুসংস্কার

আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত কিছু কুসংস্কার

সমাজে বহুল প্রচলিত কুসংস্কার যেগুলি আমাদের কোন কাজেই আসেনা বরং আমাদের ঈমান কে ধ্বংস করে এবং শিরকে নিমজ্জিত করে, যা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।

(1) পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম গোল্লা পাবে।
(2) আশ্বিন মাসে কোনো নারী বিধবা হলে তার আর কোনো দিন বিয়ে হয় না।
(3) ইষ্টি কুটুম পাখি ডাকলে বলা হয় আত্মীয় আসবে।
(4) একজন অন্য জনের মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয় বার টোকা দিতে হবে, একবার টোকা খাওয়া যাবে না। নতুবা মাথায় ব্যথা হবে/শিং উঠবে।
(5) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ বললে’ রোগ বেড়ে যাবে।
(6) কবরের খোদাইয়ের সময় প্রথম কোপের মাটি রেখে দেয়া।
(7) কাউকে দেখে বলা- আপনার কথা হচ্ছিল আপনার হায়াত আছে।
(8) কাউকে ধর্মের ভাই-বোন, বাবা-মা ডাকলেই আপন হয়ে যায়, পর্দা লাগে না।
(9) কাকের ডাক বিপদের পূর্বাভাস মনে করা।
(10) কাচা মরিচ হাতে দিতে নাই।
(11) কারো মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয় বার টোকা দেয়া আবশ্যক মনে করা, না হলে মাথায় শিং গজায়- এমনটা ভাবা।
(12) কুকুরকে পা দিয়ে বাড়িতে গর্ত করতে দেখলে কারো মৃত্যুর আশঙ্কা আছে, এটা মনে করা।
(13) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল/লবন দিতে হয়।
(14) কোন ফসলের জমিতে বা ফল গাছে যাতে নযর না লাগে সে জন্য মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(15) কোন বিশেষ পাখি দেখলে বা ডাকলে আত্মীয় আসবে মনে করা।
(16) কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বাহির হলে যদি তার সামনে খালি কলস পড়ে যায় বা কেউ খালি কলস নিয়ে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে তখন সে যাত্রা বন্ধ করে দেয়, বলে আমার যাত্রা আজ শুভ হবে না।
(17) কোরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল ‘সদকা’করতে হয়, না হলে মাথার চুল উঠে যায়।
(18) ক্ষেতের এক কোনায় কালো কচু লাগালে বাকি শস্য কাল হয়
(19) খাওয়ার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে খানা কুকুরের পেটে চলে যায়।
(20) খাওয়ার সময় ঢেঁকুর আসলে অথবা খাবার আটকে গেলে, হেচকি উঠলে কেউ তাকে স্মরণ করছে বা গালি দিচ্ছে মনে করা।
(21) খাওয়ার সময় সালাম দেয়া-নেয়া যাবে না।
(22) খালি ঘরে সন্ধ্যায় বাতি দিতে হয়, না হলে বিপদ অনিবার্য।
(23) খালি মুখে মেহমান ফেরত গেলে অমংগল হয়। কাউকে শুধু পানি দেয়া উচিত না।
(24) গরুর বাছুরের গলায় জুতার টুকরা ঝুলিয়ে দিলে সেটা মানুষের কুদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকে।
(25) গর্ভবতী মহিলার জন্য কোনো কিছু কাটাকাটি কিংবা জবাই করা নিষিদ্ধ, তাতে বাচ্চা ঠোঁট কাটা জন্ম নেয়।
(26) গর্ভবতী মায়েরা সূর্যগ্রহণের সময় যা করে, তার প্রভাব সন্তানের ওপর পড়বে!
(27) গর্ভবর্তী মহিলাকে এক কাতে শয়ন করতে নেই। এতে বাচ্চা প্রতিবন্ধী হয়।
(28) গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাফ চাইতে হয়।
(29) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে তা সেলাই করে ব্যবহার করতে মানা।
(30) গোছলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।
(31) ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পেছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ; তাতে যাত্রা ভঙ্গ হয় বা যাত্রা অশুভ হয়।
(32) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।
(33) ঘরের চৌকাঠে বসা, দরিদ্রতার লক্ষণ।
(34) ঘরের ভিতরে প্রবেশ কৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। অর্থাৎ শরীরের কিছু অংশ রৌদ্রে আর কিছু অংশ বাহিরে তাহলে জ্বর হবে।
(35) ঘরের ময়লা পানি রাতে ঘরের বাইরে ফেলতে হয় না, তাতে সংসারে অমঙ্গল হয়।
(36) চোখে গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু ছোয়ালে সুস্থ হয়ে যায়।
(37) ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়, দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, ‘ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।’
(38) ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে তা ইঁদুরের গর্তে ফেলতে হয়, না হলে দাঁত আঁকাবাঁকা হয়।
(39) ছোট বাচ্চাদের শরীরে লোহা জাতীয় কিছু বেঁধে দিতে হয়, তাতে সে দুষ্টু জ্বীন-শয়তানের প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
(40) ছোট বাচ্চাদের হাতে লোহা পরিধান করাতে হবে।
(41) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।
(42) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসে, আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসে।
(43) ঢেঁকির ওপর বসে আহার করলে বউ মারা যায় বলে মনে করা।
(44) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে মানা, তাতে বংশ উজাড় হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
(45) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।
(46) দা, কাঁচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে তা সেলাম করা। না হলে ক্ষতির আশঙ্কা আছে মনে করা।
(47) দাঁড়িপাল্লা কিংবা মাপার জিনিস পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে সেটাকে সালাম করতে হয়, না হলে ঘরের লক্ষ্মী চলে যায়।
(48) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে তা পাক করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।
(49) দুজনের কথার ফাঁকে টিকটিকির আওয়াজকে কথার সত্যায়ন মনে করা।
(50) দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নেই।
(51) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হবে, কেননা বলা হয় কিয়ামতের দিন এগুলো খুঁজে বের করতে হবে।
(52) নতুন কাপড় পরিধান করার আগে তা আগুনে ছ্যাঁকা দিতে হয়।
(53) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাইতে নাই।
(54) নতুন ঘর উঠানোর সময় একটা খামে লাল কাপড় বেঁধে দিতে হয়
(55) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।
(56) নতুন বউ কোনো ভালো কাজ করলে তা শুভ লক্ষণ বলে মনে করা।
(57) নতুন বউকে বাপের বাড়ি থেকে ধান এনে স্বামীর বাড়ির গোলায় রাখা।
(58) নতুন বউকে শ্বশুর বাড়িতে নরম স্থানে বসতে দিলে বউয়ের মেজাজ নরম থাকে।
(59) নতুন বউকে শ্বশুরালয়ে কমপক্ষে আড়াই দিন অবস্থান করতে হয়।
(60) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।
(61) নবী করিম সা.-এর নাম শুনলে হাতে চুম্বন খাওয়া, তদ্রুপ মক্কা-মদিনার ছবি দেখলে চুমো খাওয়া।
(62) নাক ঘামলে বউ আদর করবে বলা
(63) পর পর কয়েক সন্তান মারা যাওয়ার পর ছেলে হলে বড়শি পুড়ে তার কপালে দাগ দেয়া।
(64) আঙ্গুলের ইশারায় কবর দেখালে সেই আঙ্গুল পঁচে যায়।
(65) পাঁচ আঙ্গুলে গ্লাস ধরে পানি দেয়া যাবেনা বলা।
(66) পাখি ডাকলে বলা হয় ইষ্টি কুটুম আত্মীয় আসবে।
(67) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান জন্ম নিবে।
(68) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।
(69) পিপড়া বা পানি পোকা খেলে সাতার শিখবে বলা।
(70) পুরুষের বুকে লোম থাকা স্ত্রীকে ভালোবাসার পরিচায়ক মনে করা।
(71) পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে বলা।
(72) পোড়া খানা খেলে সাতার শিখবে।
(73) প্রথম সন্তান মারা গেলে পরের সন্তানের কান ফুটো করে দিতে হয়, তাতে সে দীর্ঘ হায়াত পায়।
(74) প্রসূতি মা সূর্যগ্রহণ দেখলে তার অনাগত সন্তানের বিকলঙ্গ হবে!
(75) ফলবান বৃক্ষ বা বাগানে মানুষের বদ নজর এড়াতে মাটির পাতিলে সাদাকালো রং মেখে তা ঝুলিয়ে রাখতে হয়।
(76) বন্ধু মহলে কয়েকজন বসে গল্প-গুজব করছে, তখন তাদের মধ্যে অনুপস্থিত কাউকে নিয়ে কথা চলছে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে, কেউ কেউ বলে উঠে ‘দোস্ত তোর হায়াত আছে।’ কারণ একটু আগেই তোর কথা বলছিলাম।
(77) বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।
(78) বাচ্চাদের শরিরে লোহা বা তাবিজ থাকতে হবে।
(79) বাছুর এর গলায় জুতার টুকরা জুলালে কারো কু দৃস্টি থেকে বাচা যায়।
(80) বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় খালি কলস ,কালো বিড়াল, ঝাড়ু দেখলে যাত্রা অশুভ।
(81) বাসর ঘরে স্ত্রী নিকট দেন মোহর মাপ চেয়ে নিলেই চলে, দিতে হয় না।
(82) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ ‘সদকা’করতে হয়।
(83) বিধবা নারীকে অবশ্য অবশ্যই সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।
(84) বিনা ওযুতে বড় পীর !! আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যাবে।
(85) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে বলা হয় শিয়ালের বিয়ে।
(86) বেচা কেনার সময় জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। যেমন, এক লক্ষ টাকা হলে তদস্থলে এক লক্ষ এক টাকা দিতে হবে। যেমন, দেন মোহর কাবীন এর সময় করে থাকে, একলক্ষ এক টাকা ধার্য করা হয়।
(87) ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হয় মনে করা।
(88) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না।
(89) ভাঙা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না, তাতে অমঙ্গল হয়, চেহারার ঔজ্জ্বল্য নষ্ট হয়।
(90) ভাঙ্গা কুলায় লাথি মারলে জমির ফসল কমে যায়।
(91) ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে নাই।
(92) মহিলাগণ হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হবে।
(93) মহিলাদের বিশেষ দিনে (মাসিক অবস্থায়) সবুজ কাপড়ের কিছু একটা পড়তে হয় এবং তাদের হাতের কিছু খাওয়া যায় না।
(94) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।
(95) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না।
(96) মৃতের বাড়িতে তিন দিন পযর্ন্ত মাছ-গোশত না খাওয়া, বাধ্যতামূলক নিরামিষ খাওয়া উচিত।
(97) রাতে কাউকে চুন দিতে হলে তখন চুনকে চুন না বলে দই বলতে হয়।
(98) রাতে কাক বা কুকুর ডাকলে বিপদ আসবে।
(99) রাতে কোনো কিছুর লেনদেন করা ভালো নয়।
(100) রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া ও ফল তোলা নিষেধ।
(101) রাতে নখ, চুল, দাঁড়ি গোফ ইত্যাদি কাটতে নেই।
(102) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না। রাতে গাছ থেকে ফল পাড়া উচিত না ।
(103) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।
(104) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।
(105) রাস্তায় চলা সময় হোঁচট খেলে পিছিয়ে পুনরায় চলা শুরু করতে হয়।
(106) রুমাল দিলে ঝগড়া হয়। ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি ধার দেয়া যাবে না।
(107) রুমাল, ছাতা, হাতঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার দিতে হয় না।
(108) শকুন ডাকলে, বিড়াল কাদলে মানুষ মারা যাবে। পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।
(109) শুকরের নাম মুখে নিলে দিন মুখ নাপাক থাকে।
(110) সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়দেয়ার পূর্বে কাউকে কোন কিছু দেয়া যাবে না।
(111) সকালে দোকান খোলে নগদ বিক্রি না করা পর্যন্ত কাউকে বাকি দেয়া নিষেধ, তাহলে সারাদিন শুধু বাকিই বিক্রি করতে হয়।
(112) সূর্যগ্রহণের সময় কোন কিছু খেতে নেই। বলা হয়, সূর্যগ্রহণের ঘণ্টা এবং চন্দ্রগ্রহণের ঘণ্টা আগে থেকে খাবার গ্রহণ করা বারণ!
(113) সূর্যগ্রহণের সময় কোনো নারীকে ঘুম বা পানাহার থেকে বারণ করাও অন্যায়।
(114) সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী নারীরা কিছু কাটলে গর্ভের সন্তান নাক-কান বা ঠোঁট কাটা অবস্থায় জন্ম নেয়।
(115) সূর্যগ্রহণের সময় তৈরি করা খাবার ফেলে দিতে হবে!
(116) সূর্যগ্রহণের সময় যৌন সংসর্গ করা যাবে না!
(117) সোমবারের দিন কাউকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া নিষেধ।
(118) স্ত্রীগণ তাদের নাকে নাক ফুল না রাখলে স্বামীর বেঁচে না থাকার প্রমাণ।
(119) স্বামীর নাম মুখে বলা যাবে না এতে স্বামীর অমঙ্গল হয়।
(120) হঠাৎ বাম চোখ কাঁপলে দুঃখ আসবে মনে করা।
(121) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে বলে মনে করা।
(122) হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে মনে করা হয়।
(123) মানুষের নজর এড়াতে বাচ্চাদের কপালে টিপ দিতে দেয়া।
(124) ভয় পেলে বুকে থু থু দেয়া।
(125) মহিলাদের শুধু আযানের সময় মাথায় কাপড় দেয়া, অন্য সময় মাথা খোলা রাখা।
(126) যার পীর নাই তার পীর শয়তান বলা।
(127) প্রেম স্বর্গ থেকে আসে।
(128) কোন কঠিন কাজ বা লাফ দেয়ার সময় ইয়া আলি বলা।
(129) চির কুমাররা বেহেস্তে লাইলী মজনুর বিয়ে খাবেন মনে করা।
(130) মানুষ মারা যাওয়ার পর আকাশের তারা হয় মনে করা।
(131) পীরেরা কবরে জীবিত প্রয়োজনে মুরিদদের সাহায্য করেন।
(132) কুকুর কামড়ালে মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়।
(133) কদম বুছি, পায়ে চুমা খাওয়া ইসলামের বিধান মনে করা।
(134) ফরজ গোসল না করলে সংসারের কোন কাজ করা যাবে না মনে করা।
(135) মানুষ মারা যাওয়ার পর ভুত হয়।
(136) হাশরেরে মাঠে পীরগন মুরিদদের শাফায়াৎ করবে মনে করা।
(137) গাড়ি রিকসা চালানোর আগে সালাম করতে হয়।
(138) অষ্ট ধাতুর আংটি পরলে বাত, বেথা ও বিভিন্ন রোগ ভাল হয়।
(139) মাথা বা গালে হাত দিয়ে বসে থাকলে রোগ হয় মনে করা।
(140) ছেলেদের রাগ দমন করার জন্য কান ছিদ্র করতে হয় মনে করা।
(141) আকীকার গোস্ত বাবা মা খেতে পারবে না মনে করা।
(142) সমাজের বেশীর ভাগ লোক যা করে তা সঠিক মনে করা।
(143) নতুন বেবসা শুরুর আগে মিলাদ দিতে হয় মনে করা।
(144) গাছের ফল চুরি হলে ঐ গাছে আর বেশি ফল ধরে না মনে করা।
(145) চল্লিশা না করলে মৃত মা বাবার আত্মা শান্তি পায়না মনে করা।
(146) বিয়ে পড়ানোর পর দারিয়ে মুরব্বীদের সালাম করতে হয়।
(147) ইদের রাতে/সবে বরাতের রাতে মৃত আপন জনদের আত্মা ঘরে আসে মনে করা।
(148) মন ভাংগা আর মসজিদ ভাঙ্গা সমান মনে করা।
(149) জামা গায়ে থাকা অবস্থায় সেলাই করলে অসুখ হয় মনে করা।
(150) বার বার সন্তান মারা গেলে অরুচিকর নাম রাখলে সে বেঁচে যায় মনে করা।
(151) বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর মনে করা।
(152) গর্ভবতী মহিলাদের সবসময় লোহা মেচের কাটি, রসুন ও লোহা সঙ্গে রাখতে হয় মনে করা।
(153) ধর্ম যার যার উৎসব সবার মনে করা।
(154) মৃত স্বামীকে দেখতে, ধরতে এবং গোসল দিতে পারবে না মনে করা।
(155) লাকি সেভেন, আনলাকি থার্টিন
(156) কিয়ামতের দিনে পীর সাহেব বড় বড় জাহাজ নিয়ে মুরিদদের পার করবেন মনে করা।
(157) সবে বরাতের রাতে রুটি হালুয়া খেতে হয় মনে করা।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এসব কুসংস্কার থেকে হেফাজত করুন, আমীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen − 12 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য