Wednesday, June 24, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর৬ দিনের সহিংসতায় শুধু প্যারিসেই পরিবহন খাতের ক্ষতি ২৩৬ কোটি টাকা

৬ দিনের সহিংসতায় শুধু প্যারিসেই পরিবহন খাতের ক্ষতি ২৩৬ কোটি টাকা

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহতের জেরে ফ্রান্সজুড়ে চলছে সহিংস বিক্ষোভ। টানা ছয় দিনেরও বেশি সময়ের বিক্ষোভে শুধু প্যারিস অঞ্চলেই পরিবহন খাতের ক্ষতি হয়েছে ২০ মিলিয়ন ইউরোর (২ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯৪০ মার্কিন ডলার) সমান। সোমবার আঞ্চলিক পরিবহন পরিচালনা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৩৫ কোটি ৯৩ লাখ ৯৩ হাজার ৬৪৪ টাকা।
আঞ্চলিক পরিবহন নেটওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ ইলে দু ফ্রান্স এক বিবৃতিতে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা অসংখ্য বাস এবং ট্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে। দুটি ট্রাম এবং শহরের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের নানতেরে এলাকায় নাহেল এম (১৭) নামের এক কিশোর গত মঙ্গলবার (২৭ জুন) গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাফিক পুলিশ তাকে থামতে বলে। সে না থামলে পুলিশ খুব কাছে থেকে তাকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নাহেল।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাত থেকেই প্যারিস ও অন্য আরও কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ও সহিংসতা শুরু হয়। গাড়ি ও বাসস্টপে আগুন, রাস্তায় ব্যারিকেড ও পুলিশ স্টেশনেও হামলা হয়। দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হটাতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।


যে পুলিশ অফিসারের গুলিতে নাহেল মারা যায়, তিনি তার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে ‘ইচ্ছেকৃতভাবে খুনের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।
মূলত নাহেলের মৃত্যু ফ্রান্সে বর্ণবাদ এবং সংখ্যালঘু জাতি-গোষ্ঠীর মানুষদের প্রতি পুলিশের বৈষম্যমূলক আচরণের ব্যাপারে ক্ষোভ উসকে দিয়েছে। কেননা এর আগেও ফ্রান্সে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পুরো ফ্রান্স সহিংস বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছে।


গত মঙ্গলবার মূল বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল প্যারিসে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্যারিস বিক্ষোভের কেন্দ্র হিসেবে থাকলেও প্রায় একই পরিস্থিতিতে রয়েছে মার্সেইলি, লিয়ন, তুলুস, স্ট্রাসবুর্গ এবং লিলিসহ আরও কয়েকটি শহর।
তবে দেশটির পুলিশ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বিক্ষোভ এখন দাঙ্গায় রূপ নিয়েছে। বিভিন্ন শহরে সমানে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা, সরকারি-বেসরকারি ভবন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, দোকানপাট লুটপাট এবং যানবাহন জ্বালিয়ে দিচ্ছে দাঙ্গাকারীরা। সূত্র : এএফপি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen + 5 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য