عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ سُورَةً فِي الْقُرْآنِ ثَلَاثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ وَهِيَ: (تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ)
رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَه
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে, যা এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করেছে। ফলে তাকে মাফ করে দেয়া হয়েছে। সে সূরাটি হচ্ছে, ’তাবা-রাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক’। (আহমদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ)[1]
[1] হাসান লিগায়রিহী : আবূ দাঊদ ১৪০০, তিরমিযী ২৮৯১, ইবনু মাজাহ ৩৭৮৬, মুসতাদারাক লিল হাকিম ২০৭৫, সহীহ আত্ তারগীব ১৪৭৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭৮৭, শু‘আবূল ঈমান ২৫০৬।
ব্যাখ্যা: কুরআনের ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট সূরা (মুলক) এক ব্যক্তি সম্পর্কে সুপারিশ করেছে ফলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এ ব্যক্তি সর্বদা সূরা মুলক তিলাওয়াত করতেন এবং তার যথাযথ মর্যাদা প্রদান করতেন। লোকটি মৃত্যুবরণ করলে এ সূরাটি তার জন্য সুপারিশ করে ফলে আল্লাহ তা‘আলা তার ‘আযাব দূর করে দেন, এটা অতীতের কোন ঘটনা। অথবা এটা ভবিষ্যতকালের অর্থেই ব্যবহার হবে, যিনি পাঠ করবেন কিয়ামতের দিন অথবা তার কবরে ঐ সূরাটি তাকে সুপারিশ করবে, ফলে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে।
