Thursday, June 4, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকগাজার বাসিন্দাদের ইচ্ছাকৃতভাবে অনাহারে রাখছে ইসরাইল: অ্যামনেস্টি

গাজার বাসিন্দাদের ইচ্ছাকৃতভাবে অনাহারে রাখছে ইসরাইল: অ্যামনেস্টি

ইসরাইল গাজায় ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনিদের অনাহারে রাখার নীতি গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি। সংস্থাটির অভিযোগ, অধিকৃত গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের এই নীতি ফিলিস্তিনিদের স্বাস্থ্য, কল্যাণ ও সামাজিক কাঠামোকে ধ্বংস করছে। সোমবার সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স২৪ এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, গাজায় চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত কর্মীরা জানিয়েছেন, অবরোধ ও হামলার কারণে অপুষ্টিতে ভুগছে বিপুলসংখ্যক শিশু।

অ্যামনেস্টি বলছে, ‘গত ২২ মাস ধরে ইসরাইল যে পরিকল্পনা ও নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়ন করেছে, এটি তারই পরিকল্পিত ফলাফল। এটি গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের চলমান গণহত্যার অংশ।’

গাজায় ত্রাণ সরবরাহে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে ইসরাইল। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে অনাহারে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দেশটি।

সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে অ্যামনেস্টি। এএফপি জানায়, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অ্যামনেস্টির অনুসন্ধানের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার অপুষ্টিজনিত কারণে দুই শিশু এবং পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক ভ্যক্তি মারা গেছেন। জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অবরুদ্ধ অঞ্চলে অনাহার এবং অপুষ্টির মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

গত এপ্রিল মাসে অ্যামনেস্টি অভিযোগ করেছিলো, গাজাবাসীদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলে মানবিক বিপর্যয় তৈরি করে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen − 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য