৮ বছরের রামিশাকে ধর্ষনের চেস্টা করে, সফল না হয়ে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করে ফেলে। কেবল এই একটি ঘটানাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ের কিছু পরিসংখ্যান দেখা যাক –
ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণের পর ৪ বছর বয়সী শিশুকে হত্যা, প্রতিবেশী কিশোর আটক
১৪ মে, ২০২৬ Daily Sun বাংলা
মুন্সীগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, আটক ১
১৬ মে, ২০২৬ – The Daily Star বাংলা
দুর্গাপুরে অপহরণের পর শিশুকে হত্যা, লাশ নিয়ে স্থানীয়দের সড়ক অবরোধ
১৭ মে, ২০২৬ কালের কণ্ঠ
মিরপুরে শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা
১৯ মে, ২০২৬ – যুগান্তর
৬ দিনের ব্যবধানে ৪ জন শিশু ধর্ষনের পরে হত্যা! এই পরিসংখ্যান আমাদের কি বলে? এই পরিসংখ্যান যা বলে তা মূলত রামিশার বাবা বলে দিয়েছেন – “আমি বিচার চাইনা, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোন রেকর্ড নাই, এটা বড় জোর ১৫ দিন চলবে, এরপরে অন্য ঘটনা ঘটবে। এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে”
রামিশার বাবার এই কথাই আমাদের দেশের বাস্তবতা। খুব সম্ভবত ‘বিচার’ শব্দটি এ দেশে ভিক্টিমের জন্য সবচেয়ে নিষ্ঠুর পরিহাস! ধর্ষনের আসামী জামিনে বেরিয়ে আবার ধর্ষন এবং খুন করে ফেলে and then that says a lot about the ‘system’!
আমরা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি এবং যে কেউ লিখে নিতে পারেন, এ দেশের বিদ্যমান কাঠামোতে এই জুলুমের কোন স্থায়ী সমাধান হবেনা, সম্ভব না।
কিছুদিন পূর্বে আমরা দেখেছিলাম যখন ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী ধর্ষকের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হয় তখন এদেশের সুশীল এবং কথিত কাল্টচাঁড়াল শ্রেনী ঘেউ ঘেউ শুরু করে!
এমন অবস্থায় আমরা আপনাদের কাছে উন্মুক্ত প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি –
বলুন, আমাদের সমাজে যখন আমাদের নিষ্পাপ সন্তানদের ধর্ষন করে মাথা কেটে হত্যা করা হয় – তখন আপনি ধর্ষকের বিচারের জন্য কোন মডেল বেছে নিবেন?
আরো লক্ষ্য করুন – বিদ্যমান কাঠামো বিক্রমপুরীদের মত নিরীহ আলিমদের বিনা বিচারে আটকে রাখতে পারে কিন্তু ধর্ষকদের জামিনে ছেড়ে দেয় যারা বেরিয়ে এসে শুধু ধর্ষন নয় বরং মাথা কেটে হত্যা করে ফেলে!
লিখে নিন – বিদ্যমান কাঠামো, আইন ব্যবস্থা কোনদিন ও এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেনা! এরপরে সিদ্ধান্ত আপনার।
