Sunday, June 14, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবররাঙামাটির ঋষি আশ্রমে নওমুসলিমদের বন্দী রেখে জোরপূর্বক হিন্দু বানাতে চলে পৈশাচিক মারধর

রাঙামাটির ঋষি আশ্রমে নওমুসলিমদের বন্দী রেখে জোরপূর্বক হিন্দু বানাতে চলে পৈশাচিক মারধর

গত ১১ জুন নওমুসলিমা আয়েশা সিদ্দিকা জারাকে রাঙ্গামাটির বাঙ্গালহালিয়া সনাতন ঋষি আশ্রম থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ইসলাম গ্রহণের পর গত ২৮শে মার্চ ২০২৬ তারিখে আয়েশাকে অপহরণ করে হিন্দু বাবা-মা’র মারফত নিয়ে যাওয়া হয় গহিন পাহাড়ে। সেখান থেকে ২ মাস পর উদ্ধার করে পুলিশ।

ইসলাম গ্রহণ করায় অপহরণ, ২ মাস পর রাঙামাটির ঋষি আশ্রম থেকে আয়েশা উদ্ধার

একই আশ্রমের এই ঘটনা নতুন নয়। আগেও সেই বন্দীশালা থেকে পালিয়ে বেঁচে ফেরা একাধিক ভুক্তভোগী রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। ২০২২ সালে জনপ্রিয় ইউটিউবার মোঃ ইব্রাহিমের ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাতকার দেন নওমুসলিম আব্দুর রহমান। তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা থানার বাঙ্গালহালিয়া সনাতন ঋষি আশ্রমে বন্দী করে রাখা হয়ে ছিল। যতক্ষণ না ‘আল্লাহ’ নাম ছেড়ে ‘ভগবান’ বলতেন ততক্ষণ পর্যন্ত পেটাতো আশ্রমের লোকেরা। প্রতিদিনই এমন পাশবিক নির্যাতন চলতো সেখানে। আব্দুর রহমান জানিয়েছেন সেখানে তাঁর পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকজন নওমুসলিম ছেলে ও মেয়েকে বন্দী করে রাখা হতো। চলতো একই কায়দায় নির্যাতন। হুমকি দেওয়া হতো ভারতে পাচার করে দেওয়ার। আব্দুর রহমান প্রায় ৭০ দিন সেই আয়নাঘরে বন্দী থাকার পর পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। কিন্তু অন্যান্য বন্দীদের সেই সৌভাগ্য হয় নি।

বাঙ্গালহালিয়া সনাতন ঋষি আশ্রম থেকে বেঁচে ফেরা আরেকজন নওমুসলিমা জান্নাতুল ফেরদৌস জানাতের একটি সাক্ষাতকার আমাদের হাতে এসেছে। ২০২৫ সালের এই সাক্ষাৎকারে জান্নাত জানান যেভাবে সেখানে নওমুসলিমদেরকে আটকে রেখে মারধর করা হয় মানুষ কুকুরকেও সেভাবে মারে না। মেয়েদেরকেও অনেক খারাপভাবে মারা হয়। ইসলাম ছেড়ে হিন্দুধর্ম গ্রহণ না করলে রাঙামাটির জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে হত্যার হুমকি দিত আশ্রমের কর্তৃপক্ষ। জান্নাত দেড় মাস পরে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিলেন সে দোযখ থেকে। কিন্তু তাঁর সময়ে সেখানে বন্দী বাকি নওমুসলিম ৩জন মেয়ে ও ১জন ছেলের সেই সৌভাগ্য হয়নি।

সেই আশ্রমের প্রধান পূর্বে একটি বক্তব্যে বলেছিল যে তারা কিছু অঘোষিত-গোপন কার্যক্রম চালায় সেখানে, যা প্রকাশ্যে বলতে চায় না।

SourceThe Aasr

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

19 − 15 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য