Tuesday, July 7, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদাওয়ামুসলিমদের প্রতিহাজীদের সতর্কতায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

হাজীদের সতর্কতায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

কিছু দুষ্টু প্রকৃতির লোক সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে নতুন ভিসায় আসা কিছু প্রবাসী ওয়ার্কারদেরকে কু -বুদ্ধি, কু-পরামর্শ দিয়ে বিপদে ফেলতেছেন কিছু ওয়ার্কার আসার পর যখন তারা কাজ না পায়, খাওয়া+ দাওয়া ও থাকার সমস্যায় পড়ে যায় তখন ওই দুষ্টু মানুষ গুলো এ বিপদ গ্রস্থ মানুষ গুলোকে বলে তুমি বা তোমরা এক কাজ করো মক্কা শহরে চলে যাও সেখানে হারাম শরীফে ২৪ ঘণ্টা ফ্রী খাবার ও পানি পাবে এবং যে কোন ব্রীজের নিচে থাকতে পারবে তখন ওদের এসব কথা শুনে এ অসহায় মানুষ গুলো মক্কায় চলে এসে বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছে যা আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের জন্য এগুলো খুবই অপমান জনক ব্যাপার প্রত্যেক দেশ’ই তাদের দেশে থাকা প্রবাসীদের দুর্নাম,সুনাম ও অবদানের একটা রিপোর্ট বিশ্বকে অবশ্যই দেখায় এটা স্বাভাবিক বাৎসরিক পরিসংখ্যান।

যাক সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই বোনদের সচেতনতার লক্ষ্যে আমার আজকের এ পোস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ একত্রে দুইজন এরেস্ট হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশীর মামলা তরজমা করে আশ্চর্য হলাম;
এ মামলা তরজমায় একটানা কথা বলতে বলতে আমি ক্লান্ত হয়েছি
অথচ শত শত মামলার তরজমা করেছি কিন্তু তা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার
কারণ সেসব এরেষ্ট হওয়া অভিযুক্তরা ছিলেন একে অপরের দূর সম্পর্কের মানুষ কিন্তু আজকের অভিযুক্ত এই দুইজন ব্যক্তি
সম্পর্কে আপন পিতা ও পুত্র
(আপসুস ইয়া রব …….)

সি আইডির প্রশ্ন +জবাব গুলো বিচারক এবং আসামির কাছে বলতে গিয়ে বারংবার আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ি, আমার চোখের পানি চলে এসেছিল, কিভাবে আমি বাবার কাছে ছেলের চুরি এবং ছেলের কাছে বাবার চুরির বিষয় গুলো বের করছি প্রথমে হালকা -নরম এরপর গরম বা ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে করে সত্য বাহির করা
খুবই লজ্জা লেগেছিল আমার যখন আমি আর পারছিলাম না তখন সি আই ডি অফিসারকে বলি স্যার উনারা যেহেতু পিতা ও পুত্র তাই উভয়কে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করি? স্যার বলে না, আমিও জানি সেটা কিন্তু সমস্যা হলো তাদেরকে এরেষ্ট করা পুলিশ ও সি সি ক্যামেরার তথ্যে প্রমাণ আছে যে তারা উভয়জন’ই একই টাইমে একই জায়গায় বারংবার কোপারেশন, শলা-পরামর্শ করে ঘটনা গুলো ঘটিয়েছে তাই আমাদের কাছে খারাপ লাগলেও উভয়কে সামনে রেখেই সত্য বের করতে হবে,
তখন আমি বললাম, ” ত্বয়িব ইয়া উসতাজ আস ছাম’য় ওয়াত্ব-য়া মাশি”

অভিযুক্ত পিতা- পুত্র সৌদি আরব এসেছেন মাত্র এক সপ্তাহ হয়েছে ভিসা বাবদ দশ লাখ টাকা খরচ করেছেন কিন্তু কোন কাজ পাইনি এ পর্যন্ত তাই খাবার, থাকার কোন ব্যবস্থা ছিল না বলে মক্কায় ঢুকেছেন উমরাহ করার নামে সৌদি জেদ্দা থেকে এসেছেন তারা উভয়জন হারাম শরীফে হাজী সাহেবদের রিয়াল,টাকা ও মানিব্যাগ ছুরি করতে ছিলেন সে অবস্থায় এরেষ্ট হয়েছেন পাবলিক প্রসিকিউশন গোয়েন্দা অফিস থেকে আমাকে কল করা হয়েছে মামলা গুলোর অনুবাদের জন্য ,
আমাদের হারাম শরীফের গোয়েন্দা অফিসারদের কাছে সি সি টিভির ভিডিও সহ প্রামান রয়েছে এবং তাদের ছুরি করা জিনিস গুলো সহ দু্ই জন সিভিল (এহরামের ড্রেস) পরিহিত সি আই ডি পুলিশ তাদেরকে হাতে নাতে ধরেছেন, সর্বশেষ উভয়কে বন্দি অবস্থায় মাহকামাতে প্রেরণ করা হয়েছে বিচারের কাজ শেষ হলে শাস্তি ভোগের পর
জেল থেকে দেশে পাঠাবে ।

জিজ্ঞেসাবাদের সময় আমি প্রশ্ন করলাম আপনারা কেন মক্কা শরীফ এসে চুরি করলেন ? তখন তারা বলে তারা যেখানে ছিল সেখানকার এক পরিচিত ব্যক্তি তাদেরকে তাদের এ দূর অবস্থায় মক্কায় চলে আসার বুদ্ধি দিয়েছে। এরপর আমি উনাদেরকে বললাম আপনারা আজ পবিত্র বাইতুল্লাহর অপমান করলেন বাংলাদেশের সন্মান হানি করলেন এবং নিজেদের পাসপোর্ট,ভিসা ও আকামা রেড করলেন সাথে তো নিজেদের বিবেকের কাছে আজীবনের জন্য ধিকৃত হলেন আর তার সাথে তো লাঞ্ছনার শাস্তি পাবেন’ই বলুন এতে কতটুকু লাভ হলো আপনাদের আর কতটুকু ক্ষতি হলো ???

তবে কু বুদ্ধি দেয়া ওইসব অসৎ মানুষ গুলোর উদ্দেশ্য বলছি যে বা যারা এদেরকে এ পবিত্র স্থানে এসে এতো বড় ভয়ংকর অপরাধ করার জন্য পথ দেখালো বা আবেগি যুক্তি দিয়ে পাঠালেন তারা মহান আল্লাহর কাছে কি জবাব দিয়ে বাঁচবেন?

পবিত্র মক্কা ও মদিনার তা’জীম আমাদের প্রত্যেক ঈমানদ্বারের ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত বিষয় সুতরাং আপনি আপনার দেশের মানুষ হিসেবে, আত্বীয় স্বজন বা পরিচিত হিসেবে আপনার ক্যাপাসিটিতে থাকা সামর্থ্যে কাউকে সাহায্য করবেন কিন্তু এধরনের শয়তানি পরামর্শ দেয়ার কোন যুক্তি ‘ই আসে না।

# এ পোস্ট সংশ্লিষ্ট সৌদি আইন ও বিচার সম্পর্কে বিগত বছর গুলোতে আমার আরো কিছু পুরানো অভিজ্ঞতা রয়েছে তা শেয়ার করছি সময় থাকলে পড়ে নিন
অথবা পোস্ট টি শেয়ার করে আপনার প্রোফাইলে রেখে দিতে পারেন;

পবিত্র মসজিদ আল হারামের (পুলিশ অফিস/ জেল)+ মাকতাব নিয়াবাহ হারাম (সি আই ডি অফিস) এ
এ পর্যন্ত আমি হাজী ও প্রবাসী ভাইদের প্রায় ৭০০ এর অধিক মামলার অনুবাদ করার সুযোগ পেয়েছি, সে অভিজ্ঞতা গুলো বিশ্লেষণ করে শেয়ার করছি;
নীচে প্রদত্ত মুখালিফাত গুলোর কারণে আমাদের পুলিশ ও আসকারীগন দেশ থেকে আসা হাজী কিংবা সৌদি আরব সহ যে কোন দেশ থেকে আসা প্রবাসীকে এরেস্ট করেন।

১/
✓বড় অংকের টাকা বা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে মসজিদে হারামে ঢুকবেন না।
ঘটনা:
ওইদিন একজন হাজী তার গলায় ঝুলানো ব্যাগে বিশ হাজার রিয়াল সাথে নিয়ে মসজিদে হারামে ঢুকেছে
আর
একজন হজ্জের মুয়াল্লিম তার সাথে এক লাখ রিয়াল সাথে নিয়ে মসজিদে হারামে প্রবেশের সময় এরেস্ট হওয়ার পর আমি তার মামলার অনুবাদ করেছিলাম,
এতো রিয়াল কেন তাদের কাছে?
দেখুন প্রশাসন কর্মকর্তাগন এসব হিসাব করে না যে এগুলো হাজীদের টাকা বা তাদের মার্কেটিং এর টাকা,
আইনত এসব নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করার অনুমতি নেই তাই এরেস্ট হওয়ার পর
প্রমাণ দিতে হবে ব্যাংক ডকুমেন্ট বা তার পরিবারের স্টেটমেন্ট সব দিতে হবে।
সুতরাং মসজিদে হারামে প্রবেশ করার সময় সাথে বড় অংকের রিয়াল/ টাকা/ ডলার কিংবা সন্দেহ জনক পরিমাণ গোল্ড অথবা বিভিন্ন দেশের টাকা সাথে নিয়ে মসজিদে হারামে ডুকলে মূল এন্টি গেইটে তাফতীশ/চেকিং এর সময় আপনাদেরকে পুলিশ এরেস্ট করবেন এবং
থানায় আটক রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন প্রত্যেক তথ্যের ডকুমেন্ট ও কথার প্রমাণ বা মালিকানা না মিললে আপনাকে ছাড়বেন না।

২/
হারাম শরীফে নিজের মোবাইল কাউকে ব্যবহার করতে দিবেন না এবং কারো মোবাইল নিজে ব্যবহার করতে নিবেন না।
ঘটনা:-
বাংলাদেশী যুবকটা তাওয়াফ শেষ করে এক ইন্দোনেশিয়ার লোককে বলে ভাই আমার মোবাইলে ভালো ছবি আসে না,
তোমার মোবাইল টা দিয়ে আমার দুই একটা ছবি তুলে দাও তখন সে তাই করলো , এরপর বাংলাদেশী লোকটা তার হাতে ইন্দোনেশীর মোবাইল নিয়ে সেল্পি নিলো এবং বলল এবার ছবি গুলো গুলো আমার হোয়াটসঅ্যাপে সেন্ড করে দাও,
এরপর ইন্দোনেশিয়ান সেন্ড করতে গেলে দেখে তার মোবাইলে তোলা ছবি গুলো নেই + তার মোবাইল ব্যাংকিং এ থাকা বড় অংকের টাকা সহ সব তথ্য আউট হয়ে গেছে কিছু নাই ব্যালান্স জিরো,
তাই সে এরেস্ট অবস্থায় আছে মামলা চলমান…..

৩/
হারাম শরীফে কোন ধরনের ব্যানার ফেস্টুন উঁচিয়ে ব্যবহার করা এবং নিজের সাথে রাখা নিষেধ।

ঘটনা গত কয়েক দিন আগের-
একজন বাংলাদেশি লোক উমরাহ পালনে এসেছেন
তো দেশে উনি যে সেক্টরে কাজ করেন তার একজন কলিগকে একটা রাজনৈতিক কারণে বন্ধী করা হয় তো উনার কামিউনিটির প্রেন্ডস সার্কেল তাকে গ্রেফতার কৃত ব্যাক্তির নিঃশর্ত মুক্তি চাই লিখা একটা বড় ব্যানার দেয় তাকে তিনি মসজিদে হারামের সামনে ওই ব্যানার উঁচিয়ে ছবি তোলেন
সে জন্য উনাকে এরেস্ট করে বাংলাদেশ এম্বাসীতে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে তার ওই মামলার সিদ্ধান্ত হওয়া পর্যন্ত উনাকে বন্দী রাখা হয় ,
এই তরজমা টাও আমি করেছিলাম।

৪/
মাথা যত’ই গরম হোক না কেন কাউকে মার্ডার বা হাপ মার্ডার কিংবা মারামারি করা যাবে না এর শাস্তি অনেক ভয়ংকর।

যেমন,
একজন অপরজনকে এখন থেকে আরো ২৮ বছর আগে হত্যা করেছে ( জাতিগত সমস্যা হতে পারে তাই কে কাকে হত্যা করেছে তা বলবো না কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ ও সৌদি আইনের প্রতি যেন আমরা সবাই শ্রদ্ধাশীল হয়ে সব ধরনের আইন মেনে চলতে সবাই সতর্ক ও সচেতন থাকি )
ঘটনাটা হলো
হত্যাকারী ব্যক্তিটি আরো ২৮ বছর আগে একজনকে হত্যা করে দীর্ঘদিন সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে ছিল এরপর সে যে কোন ওসেতায় ফাইনাল
ইক্জিট নিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে চার মাস ছিল ২০১৩ সালের শেষের দিকে
এরপর দালালের মাধ্যমে নিজের সম্পূর্ণ নাম ঠিকানা বিস্তারিত তথ্য পরিবর্তন করে পাসপোর্ট নিয়ে ২০১৪ সালে সৌদি আরবে নতুন ভিসায় ঢুকে নতুন একামা করে বিগত ১১ বছর কাজ করছে, সি আই ডি
পুলিশের রিমান্ডের শুরুতে সে প্রথমে সব কিছু অস্বীকার করে কিন্তু অবশেষে তার বাছমা তথা পিঙার প্রিন্ট চেক করলে সে মার্রার কেইসের আসামী হিসেবে সনাক্ত হয়ে যায়
এরপর সে প্রকৃত ঘটনা স্বীকার করে বিস্তারিত তথ্য দিতে বাধ্য হয়=
আসামিকে ক্বতল বিল ক্বতল মামলা কার্যকরে মাহকামায় প্রেরণ করা হয়েছে।

৫/
মক্কার হেরেমে ঢুকে কোন পুলিশের ছবি তোলা বা পুলিশের সামনে রাস্তা ব্লক করে নিজের বা অন্য কারো ছবি তোলা নিষেধ।

৬/
অতিরিক্ত ক্ষুদা লাগলে ফি সাবিল নামক খাবার নেয়ার সময় লাইন মেন্টেইন করতে হবে,
ঘটনা:
একজন বাংলাদেশী হাজী তিনি হারামে নামাজ পড়ে নিজের হোটেলে যাওয়ার সময় পথে দেখছিলেন সাবিল খাবার দিচ্ছে ( ফ্রী খাবার)
তিনি এ খাবার নিতে কাড়া কাড়ি করেছেন,তাই এরেস্ট হয়েছেন।
যেনে রাখা দরকার এখানে কেউ ফ্রি খাবার হাতে তুলে দিলেই নিবেন + খাবেন,
অন্যথায় খাবার খুঁজতে গিয়ে ডানে- বামে দৌড় ঝাঁপ নিষিদ্ধ পুলিশ দেখলে এরেস্ট করবেন ।

৭/ কোন হাজী বা কোন ব্যক্তির কাছে টাকা, পয়সা, খাবার ইত্যাদি হাত পেতে খোঁজে খোঁজে নেয়া যাবে না।
ঘটনা:
পাঁচ জন পাকিস্তানি নারী তাসাউল করেছেন
অর্থাৎ এরা বিভিন্ন সময়ে হারাম মসজিদে বা কা’বার চত্বরে ভিক্ষা করেছেন×
✓ এখানে ভিক্ষা করা একটা অপরাধ= প্রথমবার এর শাস্তি তিন/চার দিন জেলে রাখে ছেড়ে দিবে এবং তাদের পাসপোর্ট বা একামা নং গোয়েন্দা বিভাগের ওয়েব সাইটে এন্টি করে ফেলবে কিন্তু দ্বিতীয় বার এমন করলে চৌদ্দ দিন জেলে রেখে তার দেশে পাঠিয়ে দিবে।

৮/ তাহার্রুজ মামলা: ইভটিজিং মামলা –
একজন এহরাম পরিহিত যুবক বিভিন্ন দেশের নারীদের শরীরের সাথে স্বেচ্ছায় ধাক্কা ধাক্কি করেছেন/ এ ধরনের কিছু নোংরামী সেখানে থাকা সাদা পোশাকের সি আই ডি পুলিশ তিন বার লক্ষ করে নিশ্চিত হয়ে প্রমান সহ এরেস্ট করেছেন,
একটা বিশেষ প্রমান পেয়ে নিশ্চিত হয়ে এদেরকে ধরেন, ওই বিশেষ প্রমানটা পুলিশ+ আমরা অনুবাদক রা জানি।

৯/ নশল ফিল হারাম;
হজ্ব মৌসুমের বাহিরে তথা উমরা মৌসুমে
কিছু বেকার প্রবাসী হাজীদের ইহরাম পরিধান করে তাওয়াফ চত্বরে তাওয়াফরত অবস্থায় বা হাজরে আসওয়াদ সাইডে কিংবা মসজিদে হারামের ভিতরে বিভিন্ন দেশের হাজীদের ব্যাগ হতে টাকা সহ বিভিন্ন জিনিস চুরি করতে হাত দিয়েছেন এবং টাকা ,ডলার ও মোবাইল নিয়ে নিজের ব্যাগে রেখেছেন ওই অবস্থায় ধরেছেন,
এদের মালের মূল্য হিসেবে তিন বা ছয় মাস / দুই বছরের জেল হয়েছ,
তবে বিশাল মূল্যের জিনিস বা অর্থ হলে হাত কর্তন করা হয়।

১০/একজন মক্কার পুলিশ বা আসকারীদের এন্টি – এক্জিট ( প্রবেশ-বাহির) এর জন্য প্লাস্টিকের কিছু বড় সীমানা দেয়া আছে এগুলো ওবার টেইক করেছেন এবং পুলিশ বা আসকারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছেন, সাথে পুলিশ বা আসকারীদের ছবি তুলেছেন, এটি অনেক বড় অপরাধ তারা ইচ্ছে করলে এই আইন লঙ্ঘনের অপরাধে কয়েক বছর জেলে রেখে দিবে।

১১/ একজন তার থাকার হোটেলে তার রুম মিটের সাথে মারামারি করে এরেস্ট হয়েছেন,
এক হাজী সাহেব অন্য হাজীকে পান খাওয়ার বাটা দিয়ে মেরে মাথায় জখম করার পর এরেস্ট হয়েছেন।

১২
×মসজিদে হারামের চতুর্দিকে রাখা প্লাস্টিকের সাদা ওয়ান টাইম বেরিক্যাট টপকে পার হওয়ার চেষ্টা করবেন না।
১৩
×প্লাস্টিক রশি দিয়ে টানানো প্লাস্টিক ছিঁড়বেন না।
১৪
×বন্ধ রাখা দরজা/রাস্তায় নিজের ইচ্ছে মত ঢুকে যাবেন না।
১৫
×ছুরি,চাকু,সুঁই,ব্লেট ও কেঁচি নিয়ে হেরেমে ঢুকবেন না।
১৬
× নুসুক কার্ড, হোটেল কার্ড ও বাংলাদেশ হজ্ব মিশন কার্ড ছাড়া হারাম শরীফে প্রবেশ করবেন না ।

✓আর তাওয়াফের মাঠ সহ গোটা মসজিদে হারামের এরিয়াকে কয়েক হাজার বেস্ট এন্ড পাওয়ার পুল ডিজিটাল সি সি ক্যামেরায় নিশ্ছিদ্র আবরণে আবৃত করা হয়েছে আমাদের
বিভিন্ন জরুরি ইনফরমেইশন যাচাই করার সময় দেখেছি ফ্লোরে পড়ে থাকা একটা বালি কণাকে ঝুম করে দেখলে স্পষ্ট গোলাকার বড় ফুটবলের মত দেখা যায় আবার বিশেষ কিছু ক্যামেরা উপর থেকে সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকে এবং গোটা বিশ্বের কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল এর লাইভ গুলো সরাসরি সম্প্রচার করে থাকে-
সুতরাং সকলের আচার -ব্যবহার ,চলা- ফেরা সহ সব কিছুতে সতর্কতা জরুরি।

প্রিয় হাজী সাহেবদেরকে বিশেষ ভাবে মনে রাখতে হবে
মক্কা ও মদীনায় হজ্ব বা উমরার ভিসায় আসার পরে
ততক্ষন পর্যন্ত আপনাদেরকে সৌদি পুলিশ বা আসকারীরা
হাজী , ইয়া হাজী বলে সন্মান করবে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনারা সবাই সৌদি আরবের আইন কানুন মেনে চলবেন
কিন্তু যখনি কেউ কোন আইন অমান্য করবেন বা অপরাধ করবেন ঠিক তখন থেকেই আপনাকে এরেস্ট করে “মুত্তাহাম”
( মামলায় অভিযুক্ত আসামি) বলে ডাকবেন +আপনার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে দিবেন,
অর্থাৎ তখন কিন্তু আর হাজী সাহেব বলে সন্মান করবেন না অপরাধের কারণে –
আশা করি আমাদের সকল হাজী সাহেবগন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সন্মান ও নিজের ইজ্জত রক্ষার্থে সব ধরনের অপরাধ থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন, ইনশাআল্লাহ
এই পবিত্র স্থানে বিশ্বের শতাধিক দেশের মুসলিম মেহমানরা রয়েছেন এখানে একটা অপরাধে একটি দেশের বদনাম হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের পাসপোর্টে আজীবনের জন্য একটা দাগ পড়ে যাবে কারণ এখানকার সকল মামলা পাসপোর্ট, ভিসা ও পিঙার প্রিন্ট এর উপর করা হয়।


দেশী হাজী ও প্রবাসী বাংলাদেশী হাজী সাহেবদের সচেতনতায়:
হাফেজ মুহাম্মদ হাসান মানছুর আল-মাক্কী
অনুবাদক মুর্শিদ (গাইড) – আল হাইয়াতুল হারাম বিইরশাদ মাকানী ওয়াল লুগাত,
মসজিদ আল হারাম, মক্কা আল মুকাররমাহ, সৌদি আরব।
বি: দ্র:
হাজী সাহেবদের পবিত্র উমরাহ, হজ্ব, চিকিৎসা বা আইনি সেবা সংক্রান্ত
যে কোন পরামর্শে আমার ফেসবুক বন্ধুরা ও পরিচিত জনেরা অবশ্যই আমার এ ফেইসবুক আইডির ম্যাসেঞ্জারে কিংবা নীচের হোয়াটসঅ্যাপ নং 00966536130881
0536130881
এ ভয়েস বা টেক্সট করবেন,
আমি ফ্রী হয়ে পরামর্শ দেবো বা সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে গাইডিং করবো
আমার প্রাণের বাংলাদেশী হাজীদের সেবায় পবিত্র মসজিদে হারাম ও মক্কায় প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত প্রস্তুত আছি ইনশাআল্লাহ।

দেশী ও প্রবাসী হাজীদের সচেতনতায় এ পোস্টটি প্রচার করার পরামর্শে-
ঢাকা ন্যাশনাল ট্রাভেলস এজেন্সি হজ্ব ও উমরাহ কাফেলা, বাংলাদেশ
পরিচালক –
মোঃ আবু নাছের ওয়াজেদ
+880 1911-456484

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen − 10 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য