Monday, July 6, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকহরমুজে সবার কাছ থেকে ফি নেবে ইরান, তবে 'বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলো পাবে ‘বিশেষ...

হরমুজে সবার কাছ থেকে ফি নেবে ইরান, তবে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলো পাবে ‘বিশেষ বিবেচনা’

চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর কাছ থেকে নতুন এক ধরনের ‘সেবা ফি’ আদায়ের পরিকল্পনা করছে তেহরান।

তবে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পিস ফোরামে রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফাজলি স্পষ্ট করেছেন যে, চীন এবং অন্যান্য বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর জন্য এই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় বা বিবেচনা রাখা হবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এই পরিকল্পনাকে কোনোভাবেই সমর্থন করছে না এবং চূড়ান্ত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কোনো ধরনের টোল বা ফি আদায়ের অনুমতি ইরানকে দেওয়া হবে না বলে ওয়াশিংটন কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছে।

ইরান একে ‘টোল’ হিসেবে অভিহিত না করে ‘সেবা ফি’ হিসেবে উল্লেখ করছে।

রাষ্ট্রদূত ফাজলি দাবি করেছেন, এর মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা, জাহাজ মনিটরিং করা এবং বিপুল সংখ্যক জাহাজ চলাচলের কারণে সৃষ্ট পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলা করা।

ওমানের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার ভিত্তিতেই তারা এই নতুন রূপরেখা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত বন্ধের যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছিল, সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য ৬০ দিন ফি ছাড়া চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় এখন নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকরের বিষয়টি সামনে এলো।

বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের অন্যতম প্রধান লাইফলাইন হলো এই হরমুজ প্রণালি। গত কয়েক মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চার মাসব্যাপী যুদ্ধের কারণে এই জলপথ কার্যত বন্ধ ছিল, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ও দাম বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এর জবাবে এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে।

বর্তমানে যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতিতে ইরান এই প্রণালিকে কেবল একটি বাণিজ্যিক পথ নয়, বরং নিরাপত্তা ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণের একটি ইস্যু হিসেবে দেখছে। ওমানের সঙ্গে যৌথ কমিটি গঠনের মাধ্যমে তারা এখন এই জলপথ পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে মরিয়া, যা আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

10 − 7 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য