লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় গত পাঁচ মাসে ভয়াবহ প্রাণহানির তথ্য সামনে এসেছে। দেশটির জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে এসব হামলায় অন্তত ৪ হাজার ৩৩৫ জন নিহত এবং ১২ হাজার ২৭৩ জন আহত হয়েছেন।
মার্চের শুরুতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার চার দিন পর লেবাননে ইসরায়েলি হামলা শুরু হয়। এরপর থেকে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় হতাহতের সংখ্যা ক্রমেই বেড়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
এদিকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ অংশে ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন গ্রাম ও এলাকায় নিয়মিত হামলার ঘটনাও ঘটছে। অন্যদিকে, চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সরাসরি অংশ নিচ্ছে না।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) লেবাননের এক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া একটি চুক্তির আওতায় হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম যাচাই করতে লেবাননে সেনা পাঠাবে—এমন কয়েকটি দেশের তালিকা তৈরিতে বৈরুত ও তেলআবিব সম্মত হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তালিকা থেকে চূড়ান্তভাবে কোন কোন দেশ এই কার্যক্রমে অংশ নেবে, তা যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন করবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। কূটনৈতিক আলোচনা চললেও হামলা ও সামরিক উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
