বাংলাদেশ,
ইরান,
পাকিস্তান,
আফগানিস্তান,
ইন্দোনেশিয়া,
মালয়েশিয়া,
ব্রুনেই,
মালদ্বীপ,
তুর্কমেনিস্তান,
উজবেকিস্তান,
কিরগিজস্তান,
মিয়ানমার,
উত্তর কোরিয়া।
ইউরোপের
স্পেন,আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, স্লোভেনিয়া, মন্টেনিগ্রো, ফ্রান্স
ল্যাটিন আমেরিকান দেশসমূহের মধ্যে কলম্বিয়া, ব্রাজিল,চিলি, বলিভিয়া, কিউবা, ভেনেজুয়েলা হন্ডুরাস।
আরো আছে
ইয়েমেন,
মিশর,
ফিলিস্তিন,
সুদান,
তিউনিসিয়া,
তুরস্ক,
ওমান,
কাতার,
সৌদি আরব,
কমোরোস,
সোমালিয়া,
আলজেরিয়া,
লিবিয়া,
মৌরিতানিয়া,
জর্ডান,
লেবানন,
সিরিয়া,
ইরাক।
দক্ষিণ আফ্রিকা,
সেনেগাল,
জিবুতি,
অ্যাঙ্গোলা,
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র,
ডিআর কঙ্গো,
লাইবেরিয়া,
ইরিত্রিয়া,
চাদ,
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র,
মাদাগাস্কার,
নাইজার,
বতসোয়ানা,
উগান্ডা,
লেসোথো,
এসওয়াতিনি,
নিরক্ষীয় গিনি,
মোজাম্বিক,
নামিবিয়া,
কেনিয়া।
এই দেশ গুলো ছাড়া বাকীরা থেকেছে। কেউ কেউ করতালি দিয়ে উৎসাহ প্রদান করেছে নেতানিয়াহু কে। উল্লেখ্য যে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশ হিসেবে যারা থেকেছে তাদের মধ্যে আছে –
সংযুক্ত আরব আমিরাত
বাহরাইন
মরক্কো
কাজাখস্তান
আজারবাইজান
তাজিকিস্তান
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের প্রতিনিধিরা হলে বসেই নেতানি-য়াহুর ভাষণ শুনেছেন—এটি ইসরা-ইলি প্রতিবেদনে সরাসরি বলা হয়েছে। দুই দেশই ২০২০ সালের Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইস-রাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে।
আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যে নেতানিয়াহুর বিরূদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। সেটিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সকলের সামনে উপস্থিত থেকেই ভাষণ দিতে পেরেছে নেতানিয়াহু। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক আইন আদালত বলে কিছুই নেই। এগুলো সব দুর্বলকে অন্ধ রাখার আই ওয়াশ।
-মোহাইমিন পাটোয়ারী
