Tuesday, August 18, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকভারতের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে জাতিসংঘের বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে জাতিসংঘের বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ

UNSC এর রিপোর্টে যে সব তথ্য দেওয়া থাকে তার অন্যতম মূল উৎস হল সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর গোয়েন্দা এজেন্সি গুলোর রিপোর্ট। অর্থাৎ ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নেওয়ার সুযোগ কম। তাদের অফিশিয়াল ম্যান্ডেটে বলা আছে,

“to consult, in confidence, with Member States’ intelligence and security services, including through regional forums”

বাংলাদেশে আল কায়/দা নিজেদের অফশুট শাখা খোলার চেষ্টা করছে এই বক্তব্য এসেছে মূলত গত বছর ভারতে নভেম্বর মাসের লাল কেল্লার সামনের এক বিস্ফোরন সংক্রান্ত তদন্ত থেকে। যা পরবর্তীতে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা NIA তাদের দেওয়া চার্জশিটে Ansar Ghazwatul Ul Hind নামক একটি দলের সাথে সম্পৃক্ত করে। NIA এর দাবি হল এটা A/Q/I/S এর অফশুট শাখা।

ভারত মূলত এর দায় বাংলাদেশের কাঁধে চাপানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে আল কায়/দা তাদের অফশুট খোলার চেষ্টা করছে। আপনারা নিজেরাই এই অংশটুকু পড়ুন।

“Al-Qaida in the Indian Subcontinent (AQIS, not listed) continued to evolve from a fragmented group into a regional terrorist entity; it established logistics and financial networks, working in decentralized small, scattered cells instead of large units. The attack in November 2025 on the Red Fort in Delhi was officially attributed to AQIS. There was some concern about AQIS trying to exploit Bangladesh to establish cells there.”

অর্থাৎ এই তথ্যটি সরাসরি ভারতের তৈরিকৃত তথ্য যা তারা নিয়মিতই বলে আসছে। UNSC নতুন কোন তথ্য দেয় নি। তারা গত কয়েক বছর ধরে ভারতের গোয়েন্দা বাহিনীগুলোর আওড়ানো তথ্যই দিয়েছে। পুরো রিপোর্টে বাংলাদেশের কথা একবারই এসেছে। আর সেটা ভারতের রেড ফোর্ট এ হামলা সংক্রান্ত আলোচনায়।

ভারত এরকম তথ্য এই প্রথম দিয়েছে এরকম নয়। এর আগে ৩২ তম রিপোর্টে বলা হয়েছিল,

“One Member State assessed that Al-Qaida is shaping AQIS to spread its operations into neighbouring Bangladesh, Jammu and Kashmir and Myanmar.”

স্পষ্টতই এখানে মেম্বার স্টেট হল ভারত। অর্থাৎ বাংলাদেশ পাকিস্তান সহ মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন নিষিদ্ধ সংগঠন ছড়িয়ে পড়বার যে অভিযোগ তা ভারতের দেওয়াই তথ্য। এখানে UNSC ব্যুরোক্রেটিক কেরানির মত সেটাই আওড়িয়ে আসছে। কিন্ত বাংলাদেশের মিডিয়া এবং এই দেশের কথিত সুশীল লোকজন এটা নিয়ে যেভাবে প্যানিকড দেখাচ্ছে তাতে তো মনে হচ্ছে হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা ছাড়া উপায় নাই। এই পরিস্থিতি থেকে হাসিনাই পারবে আমাদেরকে মুক্তি দিতে। ভারতের দেওয়া তথ্য কপি পেস্ট করা রিপোর্ট দেখে যদি প্যানিকড হওয়া লাগত তাহলে পাঁচই অগস্টের আগেই হতাম। বাংলাদেশের সুশীলদের উচিত এসব ধান্দাবাজি ত্যাগ করা।

— সাওয়াবুল্লাহ হক

অ্যাক্টিভিস্ট, ব্লগার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × 4 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য