রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
«يظهرُ الإسلامُ حتى تَختَلِفَ التُّجارُ في البحر، وحتى تَخوضَ الخيلُ في سبيل الله، ثم يَظهرُ قومٌ يقرؤون القرآن، يقولون: من أقرأُ منّا؟ من أعلمُ منا؟ من أفقه منا؟»
“ইসলাম (এক সময় এতখানি) প্রসারিত হবে যে, ব্যবসায়ী দল (নিরাপদে ও অবাধে) সমুদ্রে যাতায়াত করবে এবং ঘোড়াগুলো আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) অবতীর্ণ হবে। অতঃপর এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন তিলাওয়াত করবে এবং (অহংকার করে) বলবে, ‘আমাদের চেয়ে বড় ক্বারী আর কে আছে? আমাদের চেয়ে বড় জ্ঞানী আর কে আছে? আমাদের চেয়ে বড় ফকীহ আর কে আছে?”
এরপর তিনি সাহাবীদেরকে জিজ্ঞেস করলেন,
«هل في أولئك مِنْ خَيرٍ؟»
“এদের মধ্যে কি কোনো কল্যাণ রয়েছে?”
সাহাবীরা [রা.] বললেন,
«الله ورسوله أعلم»
“(এ বিষয়ে) আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত।”।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
“أولئك منكم من هذه الأمّة، وأولئك هم وقودُ النارِ
“এরা এই উম্মতের মধ্যেই তোমাদেরই (অর্থাৎ মুসলিমদেরই) অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে এরা হবে জাহান্নামের জ্বালানি”। [১]
এই হাদিসের ওপর ভিত্তি করে ইমাম ইবনু হাজার আল হাইতামী [রাহ.] উল্লেখ করেছেন যে, কোনো যৌক্তিক অধিকার ও শরঈ প্রয়োজন ছাড়াই কেবলমাত্র অহংকার এবং গৌরব প্রকাশের উদ্দেশ্যে ইলম, কুরআন বা যেকোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে নিজেকে বড় বা শ্রেষ্ঠ হিসেবে দাবি করা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। [২]
[১) শাইখ আলবানী (রাহ.), সহীহুত তারগীব, হা: ১৩৫, শাইখ আলবানীর মতে হাসান লি-গাইরিহ;
২) ইমাম ইবনু হাজার আল হাইতামী (রাহ.), আয যাওয়াজির: ১/১৫৮]
