Monday, August 31, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকবন্যাবিধ্বস্ত নেপাল পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৫ বিলিয়ন ডলার

বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৫ বিলিয়ন ডলার

ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর নেপাল পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। এই অর্থ নেপালের মোট অর্থনীতির প্রায় এক-দশমাংশের সমান।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ওয়াগলে বলেন, ‘প্রাথমিক হিসাবে পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এটি এখনো কেবল একটি অনুমান। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে।’

তিনি জানান, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হয়েছিল, এবার তার চেয়ে কম অর্থ লাগতে পারে।

গত বুধবার (২৬ আগস্ট) হিমালয় অঞ্চলে একটি হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ নদীর স্রোতের সঙ্গে নেমে আসে। এতে নেপাল ও চীনের তিব্বতে ৬০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখনো ২ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

ভয়াবহ বন্যায় সীমান্তবর্তী এলাকার বেশ কয়েকটি শহর ও জনপদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে সেতু ও সড়ক ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রও।

২০১৫ সালের ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ছিল নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষ নিহত হন এবং ৫ লাখের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল দেশটির অর্থনীতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। পুনর্গঠনে তখন প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল।

তবে এবারের পুনর্গঠনে কেন তুলনামূলক কম অর্থ প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

তারপরও বুধবারের বন্যা নেপালের অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির অর্থনীতি মূলত প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ, পর্যটন ও জলবিদ্যুতের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

বন্যায় এমন কিছু জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো দেশটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশের বেশি জোগান দেয়। ফলে পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক করাও নেপালের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Sourceinsaf24

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eleven + two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য