আল্লাহ তাআলা বলেন,
جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا وَمَنْ صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ
“স্থায়ী জান্নাত, তাতে তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা সৎকাজ করেছে তারাও”। [১]
ইমাম ইবনু কাসির [রাহ.] এর তাফসিরে লিখেছেন,
“অর্থাৎ, আল্লাহ তাদের মধ্যে এবং তাদের প্রিয়জনদের যেমন পিতা-মাতা, পরিবারের সদস্য ও সন্তানদের মধ্য থেকে এমন মু’মিনদেরকে একত্র করবেন, যারা জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত। এর ফলে তাদের চোখ শীতল হবে এবং তারা তাদের প্রিয়জনদের দেখে আনন্দিত হবে। এমনকি নিম্ন মর্যাদার ব্যক্তির মর্যাদাও উচ্চ মর্যাদার ব্যক্তির মর্যাদার সমপর্যায়ে উন্নীত করা হবে। তবে এতে উচ্চ মর্যাদার ব্যক্তির মর্যাদা সামান্যও কমানো হবে না; বরং এটি হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ ও দয়া”। [২]
সুতরাং কেবল নিজের জন্যই নয় নিজের পরিবার পরিজন, সন্তান-সন্ততি, প্রিয় মানুষ সবার কথা ভেবেই বেশি বেশি আমলে লিপ্ত থাকতে হবে, যেন আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের মধ্যে যারা তুনলামূলক পিছিয়ে পড়বে তাঁদেরকেও আমাদের সাথে জান্নাতে একত্রিত করে দেন।
আল্লাহ তাআলা তাওফিক দিন সবাইকে-আমিন।
[১) সূরা রা’দ: ২৩;
২) ইমাম ইবনু কাসির (রাহ.), তাফসীরুল কুরআনিল আযীম: ৪/৫৭১]
