Tuesday, September 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিক১,৪০০ মুসলিম পরিবারের বাড়ি উচ্ছেদের জমিতে আদানির ৩২০০ মেগাওয়াট প্রকল্প

১,৪০০ মুসলিম পরিবারের বাড়ি উচ্ছেদের জমিতে আদানির ৩২০০ মেগাওয়াট প্রকল্প

ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ধুবড়ি জেলায় আদানি পাওয়ারের ৩,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। প্রকল্পটির জন্য নির্ধারিত জমিতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১,৪০০ বাঙালি-উত্সের মুসলিম পরিবারের বাড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল

ওই উচ্ছেদের ফলে প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। তাদের অনেকের দাবি, তারা ওই এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন। প্রায় ১,১৫৭ একর জমি উচ্ছেদের পর আসাম পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে দেওয়া হয় এবং পরে বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য তা আদানি পাওয়ারের কাছে বরাদ্দ করা হয়।

উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, বৈধ জমির মালিকানার কাগজপত্র থাকা কিছু পরিবার এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি। পুনর্বাসনের জন্য কর্তৃপক্ষ একটি জায়গা বরাদ্দ করলেও বাস্তুচ্যুতদের কেউ কেউ তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত জায়গাটি ব্রহ্মপুত্রের কাছে নিচু ও নদীবিধৌত এলাকা।

বিতর্ক আরও বাড়ে যখন প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি পাওয়ার ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল যে প্রকল্প এলাকায় কোনো বসতি নেই এবং পুনর্বাসন বা স্থানান্তর সংক্রান্ত কোনো দাবি নেই। অথচ এর আগে ওই এলাকায় শত শত বাড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

আসামে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে বৃহত্তর সমালোচনার মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। বিশেষ করে বাঙালি ভাষাভাষী মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এসব অভিযান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বিজেপি আসামে ক্ষমতায় আসার পর উচ্ছেদ অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত আটজন মুসলিম নিহত হয়েছেন।ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ধুবড়ি জেলায় আদানি পাওয়ারের ৩,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। প্রকল্পটির জন্য নির্ধারিত জমিতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১,৪০০ বাঙালি-উত্সের মুসলিম পরিবারের বাড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল

ওই উচ্ছেদের ফলে প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। তাদের অনেকের দাবি, তারা ওই এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন। প্রায় ১,১৫৭ একর জমি উচ্ছেদের পর আসাম পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে দেওয়া হয় এবং পরে বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য তা আদানি পাওয়ারের কাছে বরাদ্দ করা হয়।

উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, বৈধ জমির মালিকানার কাগজপত্র থাকা কিছু পরিবার এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি। পুনর্বাসনের জন্য কর্তৃপক্ষ একটি জায়গা বরাদ্দ করলেও বাস্তুচ্যুতদের কেউ কেউ তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত জায়গাটি ব্রহ্মপুত্রের কাছে নিচু ও নদীবিধৌত এলাকা।

বিতর্ক আরও বাড়ে যখন প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি পাওয়ার ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল যে প্রকল্প এলাকায় কোনো বসতি নেই এবং পুনর্বাসন বা স্থানান্তর সংক্রান্ত কোনো দাবি নেই। অথচ এর আগে ওই এলাকায় শত শত বাড়িঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

আসামে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে বৃহত্তর সমালোচনার মধ্যেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। বিশেষ করে বাঙালি ভাষাভাষী মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এসব অভিযান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বিজেপি আসামে ক্ষমতায় আসার পর উচ্ছেদ অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত আটজন মুসলিম নিহত হয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 + two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য