Tuesday, October 13, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকচরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সউদী

চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সউদী

সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে রবিবার ফের চালানো হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং অপর ১১ জন আহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার বরাতে জানা যায়, বিমানবন্দরের বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো এই আকস্মিক হামলায় হতাহতের পাশাপাশি বিমানবন্দর চত্বরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে একই বিমানবন্দরে উপর্যুপরি এমন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়েছে।

জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থা ও হাসপাতাল সূত্রের বরাতে জানা যায়, রবিবার আঘাত হানা প্রজেক্টাইল বা ড্রোনের স্পিøন্টারের আঘাতে ঘটনাস্থলেই একজন প্রাণ হারান। আহত ১১ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে রাজধানীর নিকটস্থ সামরিক ও বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার পরপরই বিমানবন্দরে জরুরি সতর্কাবস্থা জারি করা হয় এবং রানওয়ে ও টার্মিনালগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি মন্ত্রী ও তেল নির্বাহীদের অংশগ্রহণে রিয়াদে শুরু হওয়া বহুল আলোচিত আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলন ‘ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেস’-এর ঠিক চলাকালেই এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটল। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কূটনৈতিক তৎপরতাকে তোয়াক্কা না করে সরাসরি সউদী আরবের মূল আকাশপথে বারবার আঘাত হানার মাধ্যমে হামলাকারীরা নিজেদের সামরিক সক্ষমতার গভীরতা জানান দেওয়ার পাশাপাশি দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতাকেও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সউদীর আকাশপথে অচলাবস্থা, বাতিল ৯৯.৭% ফ্লাইট
ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতিদের সপ্তাহান্তের প্রাণঘাতী পাল্টা হামলার পর রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার মেয়াদ বাড়িয়েছে সউদী কর্তৃপক্ষ। সউদী বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জেদ্দার পর সউদী আরবের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ও কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শনিবারের হামলার পর থেকে বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। ওই হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সউদী আরবে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। রোববার আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং প্রায় এক ডজন মানুষ আহত হন।

বিমান চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিমানবন্দরের নির্ধারিত ফ্লাইটের ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বাতিল করা হয়। ফ্লাইটরাডার২৪-এর বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় শহরটির আকাশে কোনো উড়োজাহাজ দেখা যায়নি। এ বিঘেœর কারণে ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইন তাদের পরিষেবা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। অন্যদিকে, সউদী আরবে বা দেশটির আকাশসীমার ওপর দিয়ে উড়োজাহাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)। রোববার মার্কিন এয়ারলাইনগুলোকে এ পরামর্শ দেয়া হয়।

লুফথানসা গ্রুপ ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। অন্যদিকে, এয়ার ফ্রান্স-কেএলএম সউদী রাজধানীতে যাওয়া-আসার ফ্লাইট স্থগিত রাখার আগের সিদ্ধান্তের মেয়াদ বাড়িয়ে মাসের শেষ পর্যন্ত করেছে। আবুধাবিভিত্তিক ইতিহাদ এয়ারওয়েজও সউদী আরবে ফ্লাইট বাতিলের মেয়াদ আরও বাড়ানো এয়ারলাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে। এর ফলে সোমবার ও মঙ্গলবার রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামে যাওয়া-আসার প্রায় ২০টি ফ্লাইট প্রভাবিত হয়েছে।
এদিকে হুতিদের সঙ্গে সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় এর বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তেলের কার্যক্রম কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে চলতি বছর সউদী আরবের প্রকৃত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

হামলার কারণে চলতি মাসে রিয়াদে নির্ধারিত অনুষ্ঠানগুলোও চাপে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সউদী আরবের প্রধান বিনিয়োগ সম্মেলন এবং ডব্লিউপিসি এনার্জি কংগ্রেস। এসব অনুষ্ঠানের কর্মসূচি থেকে কয়েকজন শীর্ষ তেল নির্বাহীর নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
হুতির হামলায় চাপে সউদী যুবরাজ, কড়া নিরাপত্তায় ‘থাকছেন বাংকারে’ : সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদে ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধাদের ধারাবাহিক হামলায় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চাপে পড়েছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ৪১ বছর বয়সী এ যুবরাজ বাংকার-সুবিধাসহ কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত বিভিন্ন প্রাসাদের মধ্যে যাতায়াত করছেন। তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে বাছাই করা একটি দল। গত মঙ্গলবারের পর তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। সেদিন তিনি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে সমর্থন জানাতে রক্তদান করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

অর্থনীতি ও উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে চাপ : বছরের শুরুতে সউদী আরবকে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে মনে হচ্ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের জন্য হোয়াইট হাউস সফরে গিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন যুবরাজ। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও হরমুজ প্রণালির বাধা এড়িয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগর পর্যন্ত তেল পরিবহন করতে পেরেছিল সউদী আরব। তেল বিক্রি ও দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটি বাড়তি সুবিধাও পায়।

কিন্তু পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। জুলাইয়ে হুতিরা সউদী আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দেয়। এতে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়ে। সেপ্টেম্বরে সউদী আরবের প্রধান পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে হামলা হয়। এরপর হুতিরা দেশটির বিমান চলাচল খাতকে লক্ষ্যবস্তু করে। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তত চারবার হামলা চালিয়েছে তারা।
এ সংঘাত সউদী আরবের তেলনির্ভর অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পরিকল্পনাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। বছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে। বিনিয়োগের পরিমাণ যুবরাজের ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে ব্যয় বাড়ায় অর্থনীতির রূপান্তরে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কেন্দ্র হয়ে ওঠার পরিকল্পনাও নতুন ঝুঁকিতে পড়েছে, কারণ ডেটা সেন্টারগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

যুবরাজের উদ্যোগে নেয়া বড় বড় প্রকল্পের অনেকগুলো স্থগিত রয়েছে অথবা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জানুয়ারিতে সউদী আরব ২০২৯ সালের এশিয়ান শীতকালীন গেমস আয়োজনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসে। ২০৩০ সালের বিশ্ব এক্সপো এবং এর চার বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের অর্থায়নের ব্যবস্থাও করতে হবে দেশটিকে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে সউদী অর্থনীতির অ-তেল খাতের আকার ছোট হয়েছে। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬ শতাংশ সংকুচিত হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে। যুদ্ধের ব্যয়ে বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে। মাসের শেষ দিকে নির্ধারিত একটি বড় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গত এক দশকে যুবরাজ মোহাম্মদ নিওমের মতো ভবিষ্যৎধর্মী শহর, রিয়াদে বিশাল ঘনকাকৃতির ভবন এবং মরুভূমিতে স্কি রিসোর্ট নির্মাণসহ বিভিন্ন উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বছরে প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন ডলারের বাজেট থাকা একটি সরকারের জন্য এই ব্যয় অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ব্যয় ও অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন আরও কঠিন করে তুলছে।
হুতিদের হুমকি সম্পর্কে ভুল হিসাব? : ২০১৫ সালে যুবরাজ মোহাম্মদ সউদী আরবকে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে জড়ান। হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দেন। সউদী নেতৃত্বাধীন সামরিক হস্তক্ষেপের সময় চালানো ধ্বংসাত্মক বিমান হামলা সংঘাতকে আরো তীব্র করে। পরবর্তী সময়ে হুতিরা সউদী আরবের তেল স্থাপনা ও রিয়াদের মতো শহরে হামলা চালায়। দুই পক্ষের লড়াই অচলাবস্থায় পৌঁছানোর পর ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতি হয়।
নতুন করে সহিংসতা শুরুর আগে সউদী কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করেছিলেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় হুতিরা উল্লেখযোগ্য সামরিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তারা ধারণা করেছিলেন, হুতিরা ইরানের স্বার্থের পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সউদী গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইরান হুতিদের যুদ্ধে যোগ দিতে সক্রিয়ভাবে চাপ দিচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

আগস্টে লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে উপকূলীয় এলাকা দখলে অভিযান চালায় হুতিরা। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় সউদী আরব ইয়েমেনে তার মিত্রদের সহায়তায় বিমান হামলা চালায়নি। তখন ইয়েমেনি মিত্ররা গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখায় হুতিদের আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করছিল। শেষ পর্যন্ত শহরটি ও উপকূলের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হুতিদের দখলে চলে যায়। এতে সউদী তেল পরিবহনের ওপর হুমকি বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ও কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা : ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে যুবরাজ মোহাম্মদ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সউদী যুবরাজের সামরিক সহায়তার অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত সাড়া দেয়নি। তবে দেশটি সামরিক উপদেষ্টা পাঠিয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, হুতিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ চলছে এবং সউদী হামলায় যোগ দেয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া হচ্ছে না।

সউদী আরব তার সামরিক মিত্র পাকিস্তানের কাছে সহায়তা চেয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সংগ্রহের চেষ্টা করছে। ইয়েমেনে নিজেদের মিত্রদের সহায়তায় বিদেশি যোদ্ধা নিয়োগের কথাও ভাবছে দেশটি। একই সঙ্গে সংঘাত নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে উঠতে পারেÑএমন আশঙ্কায় কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে সউদী আরব।
রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের বেকার ইনস্টিটিউটের ফেলো ও পারস্য উপসাগরবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিয়ান কোয়েটস উলরিখসেনের মতে, সউদী নেতার সামনে ভালো বিকল্প খুব বেশি নেই। তার ভাষায়, যেকোনো সামরিক পাল্টা পদক্ষেপের ফলে এমন এক অসম সংঘাতে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে, যেখানে হুতিরা উল্লেখযোগ্য ও প্রতীকী ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে। সূত্র : তাস, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য