Thursday, October 15, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরহিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টধর্মকেও রাষ্ট্রধর্ম করার সুপারিশ ঐক্য পরিষদের, জনসংখ্যার অনুপাতে সংসদে...

হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টধর্মকেও রাষ্ট্রধর্ম করার সুপারিশ ঐক্য পরিষদের, জনসংখ্যার অনুপাতে সংসদে সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান

সংবিধানের চার মূলনীতি বহাল রাখার পাশাপাশি ইসলামের সঙ্গে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টধর্মকেও রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও জাতিগত বৈষম্য দূর করা এবং সংসদসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার সন্ধ্যায় সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে ই-মেইলে এসব সুপারিশ পাঠায় ঐক্য পরিষদ।

সুপারিশপত্রে স্বাক্ষর করেছেন সংগঠনটির তিন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার ও নির্মল রোজারিও এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ।

আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বহাল রাখার আহ্বান জানিয়েছে ঐক্য পরিষদ। পাশাপাশি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সংবিধান থেকে ধর্মীয় ও জাতিগত বৈষম্য দূর করার উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে তারা।

প্রয়োজনে সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদ সংশোধন করে ইসলামের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে এই অনুচ্ছেদে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির সভায় গৃহীত আরেকটি সুপারিশে জাতীয় সংসদ এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

ঐক্য পরিষদ জানায়, সংবিধান সংস্কার নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ না পাওয়ায় সংগঠনটির নির্বাহী কমিটি ৮ অক্টোবরের সভায় এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করে। ই-মেইলে তারা উল্লেখ করেছে, বিশেষ সংসদীয় কমিটি বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও ঐক্য পরিষদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ কারণে বিবেচনার জন্য কমিটির সভাপতির কাছে সরাসরি প্রস্তাবগুলো পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি।

সূত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

two × 5 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য