Saturday, November 7, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিক‘বাংলাদেশ-নেপালের চেয়েও খারাপ অবস্থা হবে ভারতে’

‘বাংলাদেশ-নেপালের চেয়েও খারাপ অবস্থা হবে ভারতে’

ভারতে চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট এবং জনঅসন্তোষ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে সতর্ক করেছেন কংগ্রেস নেতা ও ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরফান আনসারি। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে ভারত বাংলাদেশ ও নেপালের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে।

গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন তিনি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর), নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন আনসারি।

সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ভারতের তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ জমা হয়েছে। দিল্লি সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আনসারি বলেন, প্রায় ৪০ লাখ তরুণ রাস্তায় নামার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁরা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

আনসারি বলেন, ‘দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত বিপুলসংখ্যক তরুণ রাস্তায় নামলে সরকার কত সেনাসদস্য মোতায়েন করবে? সেনাবাহিনী কি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামাতে পারবে?

দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অসন্তোষের কথাও তুলে ধরে এই কংগ্রেস নেতা জানান, কৃষক, মধ্যবিত্ত, দলিত, আদিবাসী ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এসব সংকট মোকাবিলায় সরকার কতটা প্রস্তুত, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সতর্ক করে আনসারি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকার সচেতন না হলে দেশে জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এমনকি পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বাংলাদেশ ও নেপালের সাম্প্রতিক অস্থিরতার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাক্ষাৎকারে ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আনসারি। তার অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আনসারি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা করা উচিত। এত বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি কতটা যুক্তিসংগত, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

seventeen − 8 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য