وَعَنْ عِيسَى بْنِ حَمْزَةَ قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عبدِ الله بن عُكيم وَبِهِ حُمْرَةٌ فَقُلْتُ: أَلَا تُعَلِّقُ تَمِيمَةً؟ فَقَالَ: نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ ذَلِكَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ تَعَلَّقَ شَيْئًا وُكِلَ إِليهِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
‘ঈসা ইবনু হামযাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উকায়ম-এর নিকট গেলাম। দেখি তার শরীরে লাল ফোস্কা পড়ে আছে। আমি বললামঃ আপনি তাবিজ ব্যবহার করবেন না? উত্তরে তিনি বললেনঃ ‘‘নাঊযুবিল্লা-হি মিন যা-লিক’’ তা হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এটার জন্য কোন কিছু লটকায় তাকে তার প্রতি সোপর্দ করে দেয়া হয়। (আবূ দাঊদ)[1]
[1] হাসান : আবূ দাঊদ (পাওয়া যায়নি), তিরমিযী ২০৭২, আহমাদ ১৮৮০৩, আল মুসতাদরাক ৭৫০৩, ‘বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০৯৭, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৩৪৫৬, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৩৪৭৪।
ব্যাখ্যাঃ (نَعُوذُ بِاللهِ مِنْ ذٰلِكَ) মুল্লা ‘আলী কারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ না‘ঊযুবিল্লাহ বলার কারণ হলো তা‘বীয ঝুলানো কাজটি শির্কের একটা প্রকার।
‘আল্লামা ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ তা‘বীয ঝুলানোর কথা শুনে তিনি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করলেন। এতে বুঝা যায় যে, তিনি তাওয়াক্কুলকারীদের একজন। (যারা কোন চিকিৎসা বা ঝাড়ফুঁক গ্রহণ করেন না)। তবে তা অন্যের জন্য করা বৈধ রয়েছে কুরআন মাজীদের আয়াত এবং হাদীস দ্বারা বর্ণিত দু‘আর মাধ্যমে।
(مَنْ تَعَلَّقَ) অথ্যাৎ যে ব্যক্তি নিজের থেকে কোন মাদুলী বা তা‘বীয এ বিশ্বাসে ঝুলালো এ মনে করে যে, তা তার কোন উপকার করবে। (وُكِلَ إِليهِ) অর্থাৎ ঐ জিনিসের প্রতি তাকে সোপর্দ করা হবে। (তুহফাতুল আহওয়াযী ৫ম খন্ড, হাঃ ২০৭২)
মুযহির (রহিমাহুল্লাহ) ও অন্য একজন বলেনঃ যে ব্যক্তি তা‘বীয বা এ জাতীয় কোন কিছু বেঁধে এ বিশ্বাস করল যে, আরোগ্য এ থেকেই আসবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে আসবে না। তবে আল্লাহ তাকে আরোগ্য দান করবেন না। বরং তার আরোগ্য ঐ জিনিসের প্রতিই সোপর্দ করে দিবেন। তখন তার আর আরোগ্য লাভ হবে না কারণ কোন জিনিস আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কারও কোন উপকার বা ক্ষতি সাধন করতে পারে না। ‘আল্লামা ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) এটাকে সমর্থন করেছেন। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
