বাংলাদেশের শহরগুলোতে কমপক্ষে ৭০% মানুষ স্বাভাবিকের চেয়ে পাতলা হাড় নিয়ে ঘুরে বেড়ান। বিশেষভাবে, মেয়েদের ক্ষেত্রে শক্তিশালী হাড় প্রায় রেয়ার ঘটনা।
তো একারনে দেখা যায়, প্রেগন্যান্ট হয়ে গেলেই হাড়ে, বিশেষভাবে কোমর ও হাটুতে মারাত্মক চাপ পড়ে। মাসল তো এমনিতেই নাই, তার ওপর হাড়ও দুর্বল।
আবার, সন্তান নিজের হাড় তৈরির সময় মায়ের শরীর থেকেই নিউট্রিয়েন্টগুলো টেনে নেয়। সবচেয়ে বেশি টানে এসময় কোলাজেন, ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম আর ক্যালসিয়াম।
ফলে, একটা প্রেগন্যান্সির পরই অনেক মাকে দেখা যায় কোমরের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়তে। (সিজারিয়ান আরেকটা ফ্যাক্টর এখানে)। আর সন্তান পৃথিবীতে আসার পর দুনিয়াদারীর তো খবরই থাকে না, নিজে কি খাবে না খাবে সব যায় ভুলে। এটাই বাংলাদেশের ম্যাটারনাল কালচার।
গরুর চামড়া-বট-লেজ-নলি এগুলো কোলাজেনে ভরপুর।
আমি জেনেরিক কথাবার্তা পাবলিকলি বলি না কারন এতে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ভিটামিন সি ক্যাম্পেইনের কারনে লেবুর হালি ৮০ টাকা দিয়ে কিনে মানুষ আমাকে ইনবক্সে অভিযোগ জানিয়েছিল।
কুরবানীর মৌসুম এমন একটা মৌসুম যখন বট-পায়া, চামড়া-লেজ-নলির অভাব হবে না।
এগুলো বাসার মেয়েদের জন্য রেখে দেন। প্রসেসিং ঠিকঠাক হলে দারুন হোমমেড কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে স্যুপ বানিয়ে খাওয়া যাবে।
ইমপোর্ট করে আনা ফার্স্ট ক্লাস বোভাইন কোলাজেন সাপ্লিমেন্টের কেজি অন্তত ৭ হাজার টাকা।
এবার ভাবেন গরুর চামড়া আর বট কি করবেন। সিদ্ধান্ত আপনাদের।
Ashefur Bassaher Plabon
