Saturday, July 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআমিরাতের নারীবাদী এপস্টিনকে নিজের বোনসহ অন্য মেয়ে ‘রেডি’ করে দিতেন

আমিরাতের নারীবাদী এপস্টিনকে নিজের বোনসহ অন্য মেয়ে ‘রেডি’ করে দিতেন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত জেফ্রি এপস্টিন ফাইলস থেকে জানা গেছে, আরব আমিরাতের একজন উচ্চপদস্থ মানবাধিকার কর্মকর্তা হিন্দ আল-ওয়াইস (বা হিন্দ আল-ওয়াইস/আল-ওয়াইস) এর সঙ্গে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের একাধিক ইমেইল যোগাযোগ ছিল।

হিন্দ আল-ওয়াইস বর্তমানে আরব আমিরাতের কমিটি ফর হিউম্যান রাইটসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জাতিসংঘে আরব আমিরাতের স্থায়ী মিশনের কাউন্সেলর এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সিনিয়র অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালের পর জাতিসংঘে এই পদে দায়িত্ব পাওয়া প্রথম আমিরাতি নাগরিক।

প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে হিন্দ আল-ওয়াইস ও এপস্টিনের মধ্যে নিয়মিত ইমেইল যোগাযোগ ছিল। এসব ইমেইলে তাদের সাক্ষাৎ, ব্যক্তিগত আলাপ এবং হিন্দের ক্যারিয়ার বিষয়ক আলোচনা উঠে এসেছে। ২০১২ সালের জানুয়ারির একটি ইমেইলে হিন্দ এপস্টিনকে লেখেন:

“একজন মেয়ে জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে দুজন মেয়ে তো আরও বড় চ্যালেঞ্জ।”


 
আরেকটি ইমেইলে তিনি লেখেন:

“তোমার সঙ্গে দেখা করতে এবং আমার বোনকে পরিচয় করিয়ে দিতে আমি খুবই আগ্রহী। সে আমার চেয়েও সুন্দরী!”


২০১১ সালের কিছু ইমেইলে দেখা যায়, হিন্দ তার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে এপস্টিনের সঙ্গে পরামর্শ করছিলেন। সেখানে এপস্টিন তাকে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন এবং আরব আমিরাতে “সায়েন্স ও কালচার মিনিস্টার” হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন। একই বছরের অক্টোবরে এক ইমেইলে এপস্টিন তাকে তার বাসায় আমন্ত্রণ জানান এবং বলেন, তিনি তাকে এমন একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবেন, যিনি তার ভবিষ্যৎ চাকরিতে সহায়তা করতে পারেন।

একটি পাবলিক বায়োগ্রাফি প্ল্যাটফর্মে হিন্দ আল-ওয়াইসকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে, যিনি আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে (SDGs) লিঙ্গ-সংবেদনশীলতা (gender considerations) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কাজ করেন। এপস্টিনের সঙ্গে যোগাযোগের কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের দপ্তরে সিনিয়র উপদেষ্টা হন এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদে উন্নীত হন।

একজন মানবাধিকার কর্মকর্তার নাম এপস্টিন ফাইলে উঠে আসায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ক্ষমতা, প্রভাব এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমারেখা কতটা ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। এপস্টিন সংক্রান্ত আরও নথি সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে অতীত সম্পর্ক নিয়ে বাড়তি জবাবদিহির চাপ তৈরি হচ্ছে।

সোর্স: 5Pillars

SourceThe Aasr

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য