Monday, September 7, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকইসরায়েলকে রুখতে ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর

ইসরায়েলকে রুখতে ইসলামি জোট গঠনের আহ্বান ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর

কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি হামলার পর ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি ইসলামি দেশগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-সুদানি কাতারে ইসরায়েলি বোমা হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির লঙ্ঘন এবং উপসাগরীয় অঞ্চল ও কাতারের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামি দেশগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠনে কোনো বাধা নেই। তিনি আরও বলেন, “আমাদের হাতে এমন অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে এই আগ্রাসনের মোকাবিলা করা সম্ভব, যা কাতারে থেমে থাকবে না।”

এদিকে, শাফাক নিউজকে একটি সরকারি সূত্র জানায়, আল-সুদানি ১৪-১৫ সেপ্টেম্বর দোহায় অনুষ্ঠিতব্য আরব-ইসলামি সম্মেলনে ইরাকের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এতে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারাআ এবং অন্যান্য আরব নেতারাও অংশ নেবেন।

ইসরায়েল এই বিমান হামলা চালায় হামাসের রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে, যারা কাতারে অবস্থান করছিলেন।

এই হামলায় হামাসের ঊর্ধ্বতন আলোচকরা লক্ষ্যবস্তু হন এবং ছয়জন শহীদ হন, যাদের মধ্যে ছিলেন হামাস নেতা খালিল আল-হাইয়ার ছেলে হুমাম আল-হাইয়া। ইসরায়েল হায়োম-এর তথ্য মতে, দোহায় হামাসের অফিসে হামলার আগে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারকে অবহিত করেছিল।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কাতারে ইসরায়েলি বিমান হামলার নিন্দা জানিয়েছে। কাতারেই হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গাজা যুদ্ধ অবসানে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল।

এই বিমান হামলার বিরুদ্ধে জাতিসংঘ, আরব লীগ এবং অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন দেশ কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং কাতারের সার্বভৌমত্ব পুনরায় নিশ্চিত করে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস একে “মারাত্মক লঙ্ঘন” বলে অভিহিত করেন। আরব লীগের প্রধান আহমেদ আবুল গেইত হামলাকে “বিপজ্জনক উত্তেজনা” বলে মন্তব্য করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরান, ওমান, আলজেরিয়া, জর্ডান, কুয়েত, মিশর, তুরস্ক ও লেবানন—সবাই এই হামলার তীব্র নিন্দা জানায় এবং সতর্ক করে দেয় যে, এই আগ্রাসন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।

ফিলিস্তিনের বিভিন্ন দলও হামলার নিন্দা জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এটিকে “ভ্রাতৃপ্রতিম কাতারের ওপর হামলা” বলে অভিহিত করেন, আর ইসলামিক জিহাদ আন্দোলন একে “অপরাধমূলক কাজ” বলে অভিহিত করে, যা দোহা’র মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করার লক্ষ্যে চালানো হয়েছে।

সূত্র: মেহের নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

17 − 9 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য