Wednesday, June 24, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসএকটি অতীব প্রয়োজনীয় হাদিস জেনে নেই!!

একটি অতীব প্রয়োজনীয় হাদিস জেনে নেই!!

তাকদীরের প্রতি ঈমান

باب الإيمان بالقدر – الفصل الثالث
وَعَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ فِيْ قَوْلِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ ﴿وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِيْ ادَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلى أَنْفُسِهِمْ﴾ قَالَ : جَمَعَهُمْ فَجَعَلَهُمْ أَزْوَاجًا ثُمَّ صَوَّرَهُمْ فَاسْتَنْطَقَهُمْ فَتَكَـلَّمُوْا ثُمَّ أَخَذَ عَلَيْهِمْ الْعَهْدَ وَالْمِيثَاقَ﴿أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ﴾ قَالُوْ بَلى قَالَ فَإِنِّيْ أُشْهِدُ عَلَيْكُمْ السَّموتِ السَّبْعَ وَالْأَرَضِينَ السَّبْعَ وَأُشْهِدُ عَلَيْكُمْ أَبَاكُمْ اۤدَمَ أَنْ تَقُوْلُوْا يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَمْ نَعْلَمْ بِهذَا اعْلَمُوْا أَنَّهٗ لَا إِلهَ غَيْرِي وَلَا رَبَّ غَيْرِي وَلَا تُشْرِكُوْا بِي شَيْئًا إِنِّي سَأُرْسِلُ إِلَيْكُمْ رُسُلِـي يُذَكِّرُونَكُمْ عَهْدِي وَمِيْثَاقِي وَأُنْزِلُ عَلَيْكُمْ كُتُبِيْ قَالُوا شَهِدْنَا بِأَنَّكَ رَبُّنَا وَإِلَهُنَا لَا رَبَّ لَنَا غَيْرُكَ وَلَا إِلهَ لَنَا غَيْرُكَ فَأَقَرُّوا بِذلِكَ وَرُفِعَ عَلَيْهِمْ اۤدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ فَرَأَى الْغَنِيَّ وَالْفَقِيرَ وَحَسَنَ الصُّورَةِ وَدُونَ ذلِكَ فَقَالَ رَبِّ لَوْلَا سَوَّيْتَ بَيْنَ عِبَادِكَ؟ قَالَ إِنِّي أَحْبَبْتُ أَنْ أُشْكَرَ وَرَأَى الْأَنْبِيَاءَ فِيهِمْ مِثْلَ السُّرُجِ عَلَيْهِمْ النُّورُ خُصُّوْا بِمِيثَاقٍ اۤخَرَ فِي الرِّسَالَةِ وَالنُّبُوَّةِ وَهُوَ قَوْلُهٗ تَبَارَكَ وَتَعَالى وَإِذْ أَخَذْنَا مِنْ النَّبِيِّينَ مِيثَاقَهُمْ إِلَى قَوْلِه عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ كَانَ فِي تِلْكَ الْأَرْوَاحِ فَأَرْسَلَهٗ إِلى مَرْيَمَ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَحُدِّثَ عَنْ أُبَيٍّ أَنَّهٗ دَخَلَ مِنْ فِيْهَا. رَوَاهُ أَحْمَدُ
১২২-[৪৪] উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে মহামহিম আল্লাহর বাণী বর্ণিত। তিনি এ আয়াতের ‘‘তোমাদের রব যখন বানী আদমের মেরুদণ্ড থেকে তাদের সন্তানদের বের করলেন’’- (সূরাহ্ আ‘রাফ ৭: ১৭২-১৭৩) এর তাফসীরে বলেন, আল্লাহ তা‘আলা আদম সন্তানদের একত্রিত করলেন। তাদেরকে বিভিন্ন রকম করে গড়ার মনস্থ করলেন, এরপর তাদের আকার-আকৃতি দান করলেন। তারপর কথা বলার শক্তি দিলেন। এবার তারা কথা বলতে লাগলো। অতঃপর তাদের কাছ থেকে ওয়া‘দা-অঙ্গীকার গ্রহণ করলেন এবং তাদের নিজের সাক্ষ্য গ্রহণ করলেন, ‘আমি কি তোমাদের রব নই’? আদম সন্তানগণ বলল, হ্যাঁ, (নিশ্চয়ই আপনি আমাদের রব)। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমি তোমাদের এ কথার উপর সাত আসমান ও সাত জমিনকে তোমাদের সম্মুখে সাক্ষী করছি এবং তোমাদের পিতা আদমকেও সাক্ষী বানাচ্ছি। তোমরা যেন কিয়ামতের (কিয়ামতের) দিন এ কথা বলার সুযোগ না পাও যে, আমরা তো এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। তাই এখন তোমরা ভালো করে জেনে নাও, আমি ছাড়া তোমাদের কোন মা‘বূদ নেই এবং আমি ছাড়া তোমাদের কোন প্রতিপালকও নেই। সুতরাং (সাবধান) আমার সাথে কাউকে শরীক করো না। আমি শীঘ্রই তোমাদের কাছে আমার রসূলগণকে প্রেরণ করবো, যারা তোমাদেরকে আমার ওয়া‘দা-অঙ্গীকার স্মরণ করিয়ে দিবেন। অতঃপর তোমাদের ওপর আমি আমার কিতাবসমূহ নাযিল করবো। তখন এ কথা শুনে আদম সন্তান বলল, আমরা এ কথার সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয়ই তুমি আমাদের রব ও আমাদের ইলাহ। তুমি ছাড়া আমাদের কোন রব নেই এবং তুমি ছাড়া আমাদের কোন ইলাহ নেই। বস্তুত আদম সন্তানদের সকলে এ কথা স্বীকার করে নিল। আদম (আঃ)-কে তাদের ওপর উঠিয়ে ধরা হলো। তিনি সকলকে প্রত্যক্ষ করলেন। তিনি দেখলেন, তাঁর সন্তানদের মধ্যে ধনী-দরিদ্রও আছে, সুন্দর-অসুন্দরও আছে। (এটা দেখে) তিনি বললেন, হে রব! তুমি তোমার বান্দাদের সকলকে যদি এক সমান করে বানাতে? আল্লাহ তা‘আলা বললেন, আমি চাই আমার বান্দারা আমার প্রতি কৃতজ্ঞতার মধ্যে থাকুক। এরপর আদম (আঃ) নবীদেরকে দেখলেন, তারা সকলেই যেন চেরাগের ন্যায়- তাদের ওপর আলো ঝলমল করছিল। তাদের কাছ থেকে বিশেষ করে নুবূওয়্যাতের ও রিসালাতের দায়িত্ব পালনের বিশেষ শপথও নেয়া হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলছেন (অনুবাদঃ) ‘‘আমি নবীদের নিকট হতে যখন তাদের ওয়া‘দা অঙ্গীকার গ্রহণ করলাম এবং আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, নূহ (আঃ), ইবরাহীম (আঃ), মূসা (আঃ), ‘ঈসা (আঃ) ইবনু মারইয়াম (আঃ) হতেও (অঙ্গীকার ও ওয়া‘দা) নেয়া হয়েছে’’- (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩: ৭)। তিনি [উবাই (রাঃ)] বলেন, এ রূহদের মধ্যে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) এর রূহ্ (আত্মা)-ও ছিল। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা এ রূহকেই মারইয়াম (আঃ) এর প্রতি প্রেরণ করেছেন। উবাই বলেছেন, এ রূহ মারইয়াম (আঃ)-এর মুখ দিয়ে (তাঁর পেটে) প্রবেশ করেছে।[1]

(আহমাদ) [1] হাসান : যাওয়ায়িদুল মুসনাদ ৫/১৩৫। ইমাম আহমাদ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেননি বরং তার ছেলে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) ‘‘যাওয়া-য়িদুল মুসনাদ’’ নামক গ্রন্থেরে ৫/১৩৫ নং এ বর্ণনা করেছেন। তার সানাদটি হাসান মাওফূফ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 − 4 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য