Saturday, July 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকখুন করা হয়েছে গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে

খুন করা হয়েছে গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে

লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির সবচেয়ে বড় ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি লিবিয়ায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম এবং কর্মকর্তারা। সাইফের আইনজীবী খালেদ আল-জাইদি এবং তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান মঙ্গলবার ফেসবুকে দুটি পৃথক পোস্টে ৫৩ বছর গাদ্দাফি-পুত্রের মৃত্যুর ঘোষণা দেন। তবে তারা বিস্তারিত কিছু জানাননি।

লিবিয়ার সংবাদমাধ্যম ফাওয়াসেল মিডিয়া ওসমানের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার (৮৫ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে জিনতান শহরে গাদ্দাফির বাড়িতে সশস্ত্র ব্যক্তিরা তাকে হত্যা করে। সাইফের রাজনৈতিক দল পরে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে যে ‘চারজন মুখোশধারী ব্যক্তি’ তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করেছে। এই হত্যাকান্ডকে তারা ‘কাপুরুষোচিত এবং বিশ্বাসঘাতী হত্যাকাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে মৃত্যুর আগে সাইফ প্রাণ বাঁচাতে হামলাকারীদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিলেন। এই হামলাকারীরা তাদের জঘন্য অপরাধের চিহ্ন লুকানোর জন্য মরিয়া ছিল বিধায় বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরা বন্ধ করে দেয়।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি সংস্থা ত্রিপোলি-ভিত্তিক হাই স্টেট কাউন্সিলের প্রাক্তন প্রধান খালেদ আল-মিশরি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই হত্যাকাণ্ডের ‘জরুরি ও স্বচ্ছ তদন্ত’ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামের মরদেহ
গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামের মরদেহ

লিবিয়ায় সাইফের কখনো কোনো সরকারি পদ ছিল না। তবে ২০০০ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তাকে লিবিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু যখন মুয়াম্মার গাদ্দাফি লিবিয়ার বিরোধী বাহিনীর হাতে নিহত হন এবং তার কয়েক দশকের শাসনের অবসান ঘটে, তখন পরিস্থিতি উল্টে যেতে শুরু করে।

২০১১ সালে বিরোধীদের ত্রিপোলি দখলের পর উত্তর-আফ্রিকা থেকে পালানোর চেষ্টা করার পর সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে জিনতানে বন্দী করে কারাগারে পাঠানো হয়। সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং তখন থেকে তিনি জিনতানে বসবাস করছিলেন।

তবে সাইফের বিরুদ্ধে তার বাবার শাসনের বিরোধীদের উপর নির্যাতন এবং চরম সহিংসতার অভিযোগ আনা হয়েছিল। এক পর্যায়ে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েন। একই বছরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওয়ান্টেড তালিকাতেও পড়ে যান।

সূত্রঃ আল-জাজিরা

SourceThe Aasr

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য