গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি আবার বাড়বে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে মধ্যস্ততাকারীরা যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতিতে রাজি। কিন্তু ইসরাইল বার বার বলে আসছে যে তারা যুদ্ধ শুরু করতে চায়। এদিকে বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতির সপ্তম দিনে হামাস আট ইসরাইলিকে মুক্তি দিয়েছে। আর ইসরাইল কর্তৃপক্ষ মুক্তি দিয়েছে ৩০ ফিলিস্তিনিকে।
এখন পর্যন্ত যত যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারিত হয়েছে, তাতে কোনোবারই ইসরাইল নিজেরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। ঘোষণাটি তাদের পক্ষ থেকে দিয়েছে মধ্যস্ততাকারী এবং কাতারিরা।
অবশ্য, বৃহস্পতিবার সকালে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রায় ৪০ মিনিট আগে ইসরাইল সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, আর একটি দিনের জন্য তথা বৃহস্পতিবারের জন্য যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকবে। মধ্যস্ততাকারীদের ব্যাপক প্রয়াসের মধ্যে তারা এই মন্তব্য করে।
এমন অবস্থায় যুদ্ধবিরতি বাড়ার সম্ভাবনাই রয়েছে। অবশ্য, এবারো ইসরাইলের কাছ থেকে কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।
ইসরাইলকে সন্ত্রাস না করার আহ্বান পোপ ফ্রান্সিসের
ফোনে ইসরাইলকে সন্ত্রাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন ক্যাথলিকদের প্রধান ধর্মযাজক ও ভ্যাটিকান সিটির পোপ ফ্রান্সিস। অক্টোবরের শেষের দিকে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট হারজোগের সাথে ফোনকলে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা মার্কিন সংবাদপত্র দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত অক্টোবরের শেষের দিকে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট হারজোগের সাথে ফোনকলে কথা বলেন পোপ ফ্রান্সিস। এ তিনি ইসরাইলের প্রেসিডেন্টকে গাজায় সন্ত্রাস না করার জন্য আহ্বান জানান। তখন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট হারজোগ বলেন, আমরা সেখানে আত্মরক্ষার লড়াই করছি। তখন পোপ বলেন, তবে যারা হামলা করেছে, তাদেরকে দায়ী করো। বেসামরিকদের এর জন্য দায়ী করা কিংবা শাস্তি দেয়া উচিৎ নয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলা শুরু করেছিল। এই হামলায় অন্তত ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল এবং অন্যান্য
