Tuesday, August 4, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরগ্যাস, বিদ্যুৎ ও ভুতুড়ে বিল: জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনা তীব্র

গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ভুতুড়ে বিল: জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনা তীব্র

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মিনিস্ট্রি চালাতে ব্যর্থতার কারণে বেগম খালেদা জিয়া যাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অন্য মিনিস্ট্রিতে শিফট করালেন ২০০৬ সালে, সেই একই ব্যক্তিকে ২০২৬ সালে এসে তারেক রহমান বিদ্যুৎ মন্ত্রী বানালেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ মিনিস্ট্রি ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাঁধে তুলে দিলেন কোন ভরসায়; যিনি কিনা পূর্বেই এই মিনিস্ট্রি চালাতে ফেইলড হিসেবে প্রমাণিত!

তারেক রহমানের সরকার গঠনের পর প্রথম ধাক্কাটা আসে জ্বালানি নিয়ে। ক্রাইসিস মোকাবিলা করতে মন্ত্রী পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দোহাই দিয়ে মানুষকে বুঝ দিয়ে ক্ষোভ চাপিয়ে রেখা গিয়েছিল। সংসদে কমিটি তৈরি,

বিরোধীদলসহ সরকারের অন্যান্য বিভাগগুলো এ বিষয়ে এগিয়ে আসায় সেই ক্রাইসিস থেকে উত্তরণ করা গেছে।

ইভেন প্রধানমন্ত্রীকেও এই ক্রাইসিস মোকাবিলায় দিনরাত খাটতে হয়েছে।

এখন আবার গ্যাস ক্রাইসিস তৈরি হয়েছে। আগেও গ্যাসের প্রব্লেম ছিল, ঠিকমতো চুলা জ্বলতো না। বাট কখনো এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়নি চব্বিশ ঘন্টায় গ্যাসহীন। মাঝেমধ্যে একটু একটু আসে, তা-ও সেটা দিয়ে রান্নাবান্না সারার কাজ তো দূরে একটা ডিমও ভাজতে আধাঘন্টা লেগে যায়।

প্রত্যেক বাসায় সিলিন্ডার ব্যবহার করতে হচ্ছে, আবার সেই এলপিজির দামও হুট করে বাড়িয়ে দিলো। যেখানে সরকার বাজেটে দাম না-বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

যদি লাইনে গ্যাস না-ই আসে, মানুষজন রান্নাবান্না না করতে পারেন, তাহলে মাসে মাসে সরকারকে বিল দিবে কেন?

সমস্যা ঠিক কোথায়, কেন গ্যাসের ক্রাইসিস তৈরি হচ্ছে, এ সমস্যা সলভ হতে আর কতদিন লাগবে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মিনিস্ট্রি এখনো মানুষকে এড্রেস করতে পারল না কেন?

এরপর আসেন বিদ্যুতের সমস্যা। শহরে তো ভালোই আছে গ্রামেগঞ্জে লোডশেডিংয়ে ভয়াবহ অবস্থা। গ্রামে বিদ্যৎ যায় না, মাঝে মাঝে আসে—এমন অবস্থা।

এরমধ্যে আবার গত দুই মাস ধরে শুরু হয়েছে ভুতুড়ে বিল নেওয়া।

যাদের বিল আসতো ৮০০-১৫০০ টাকা, তাদের বিল আসা শুরু করছে ৩৫০০-৪০০০ টাকা করে। হটাৎ করে বিল কেন দিগুণ-তিনগুণ হয়ে যাবে? টাকা ত গাছের পাতা নয়, যা-ই আসবে, সাথে সাথে দিয়ে দিবে।

একটা মধ্যবিত্ত পরিবার যাদের বিল ২ হাজারে নিচে আসে হটাৎ করে তাদের বিল ৪-৫ হাজার চলে আসলে কোত্থেকে তারা বাড়তি টাকা দিবে?

এ ভুতুড়ে বিল কেন নেওয়া হচ্ছে, নাকি যান্ত্রিক ক্রুটির ফলে সারাদেশে এমন ঘটতেছে, কেন মিনিস্ট্রি থেকে এটা এড্রেস করতে পারে নাই এখনো।

Tarique Rahman, মানুষজন আপনার ওপর বিশ্বাস রেখে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে, আপনার দলকে সরকারে পাঠিয়েছে; আপনি সেই বিশ্বাসের মূল্য রাখেন কথা-কাজে মিল রেখে।

আপনার চারপাশে এমন অসৎ এবং দুর্নীতিগ্রস্থ লোকেরাও বসতবাড়ি করে ফেলছে, আপনি হয়ত বুঝতেও পরতেছেন না, এরাই আপনার সরকারকে ডুবাবে।

নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে বাড়তেছে তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। আবার তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এসব নিয়েও ছিনিমিনি চলতেছে।

আপনার সরকার এখন অবধি ৬ মাস পার করে নাই, তাতে জ্বালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে যেই ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে তা এলার্মিং।

জন-অসন্তোষ বাড়তে থাকলে একদিন জনবিস্ফোরণে রূপ নেবে, আপনি হয়ত বুঝতেও পারবেননা কী থেকে কী হলো!

আপনি সতর্ক হোন। আপনার আশেপাশে থেকে দুর্নীতিগ্রস্থ কিংবা দুর্নীতিপ্রবণ, চাটুকারদের ছাঁটাই করেন। যেসব মন্ত্রী এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন আনতে পারেন নাই, তাদের স্থানে কম্পিটেন্ট ও আর্টিকুলেটদের রিপ্লেস করেন।

-ফরিদ উদ্দিন রনি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য