Wednesday, June 3, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরগ্রামাঞ্চলে দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের অভিযোগ, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

গ্রামাঞ্চলে দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের অভিযোগ, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

গরম শুরু হতেই দেশে দেখা দিয়েছে তীব্র লোডশেডিং। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি বেশি খারাপ, যেখানে দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এতে জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যনায় গ্রামাঞ্চলের মতো চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলাতেও বেড়েছে পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৬ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না। বাকি সময়েও অল্প সময়ের জন্য বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। এতে আসন্ন এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাতে মিলিয়ে টানা ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার ঘটনা নিয়মিত। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ১৫-২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। এতে গৃহস্থালি কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়ছে।

ইসলামাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আল আমিন বলেন, ‘আমি নিজেও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক। গত এক মাস ধরে দিনের বেলায় তো বিদ্যুৎ থাকেই না, সন্ধ্যার পরও ক্ষণিকের জন্য এসে আবার চলে যায়। শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমার এলাকায়। অভিভাবকরা সমাধানের আশায় ইউনিয়ন পরিষদে আসছেন, কিন্তু আমাদের হাতে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে কোনো উপায় নেই।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ লাইনে বা ট্রান্সফরমারে সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করা হয় না। অভিযোগ করলেও তাৎক্ষণিক সাড়া মেলে না।

উপজেলার সুজাতপুর এলাকার বাসিন্দা শামীম হোসেন বলেন, ‘আগে বিদ্যুতের সেবা মোটামুটি ভালো ছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। কয়েক দিন ধরে টানা বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাস্তবে দিনে ১৬ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে না।’

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমা আক্তার জানায়, ‘২১ এপ্রিল থেকে আমাদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু। কিন্তু গত দুই মাস ধরে বিদ্যুতের সমস্যা এতটাই বেশি যে সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে অন্তত এক-দুই ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ থাকলেও কিছুটা প্রস্তুতি নিতে পারতাম। এমন অবস্থায় টর্চ দিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে।’ একই ধরনের অভিযোগ করেন শিক্ষার্থী আবুল কাশেম।

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবু রায়হান বলেন, ‘মতলব উত্তর উপজেলায় চাহিদার তুলনায় গ্রিড থেকে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাই বর্তমানে গড়ে ৪০-৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে ৫৫-৬০ শতাংশ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এছাড়া, বিকল্প উপায় নেই।’

এই পরিস্থিতিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য