Wednesday, June 10, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরজিনজিয়াং প্রদেশকে স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের জন্য খুলে দিন : কানাডা

জিনজিয়াং প্রদেশকে স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের জন্য খুলে দিন : কানাডা

কানাডার নেতৃত্বে ৪০টি দেশ চীনকে আহ্বান জানিয়েছে জিনজিয়াং প্রদেশকে স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের জন্য খুলে দিতে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এসব দেশ জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রধানকে উইঘুর বিষয়ক তদন্তের জন্য চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে যেতে দেয়ার আহ্বান জানায়।

চীনের সর্ব পশ্চিমের অঞ্চল জিনজিয়াংয়ে প্রায় দশ লাখের অধিক উইঘুর মুসলিমকে আটক করে রাখা হয়েছে। আটককৃত এসব উইঘুর মুসলিমকে অত্যাচার করা হচ্ছে। জোর করে পরিশ্রম করানো হচ্ছে বলে পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করছে। কানাডার নেতৃত্বে পশ্চিমা দেশগুলোর এমন দাবির প্রেক্ষিতে কঠোর পাল্টা জবাব দিয়েছে চীন।

জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত লেসলি নরটন বলেন, ‘আমরা জিনজিয়াংয়ের উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

জেনেভায় অনুষ্ঠিত মানবাধিকার কাউন্সিলের সভায় কানাডার এ বক্তব্য অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, স্পেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের দ্বারা সমর্থিত হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চীনকে অবশ্যই জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনের প্রধান মিশেল বাসলেট ও অন্যান্য স্বাধীন পর্যবেক্ষককে এখনই কার্যকরভাবে তাদের দ্বায়িত্ব পালনের ক্ষমতাসহ জিনজিয়াংয়ে যেতে দিতে হবে। তাদের দ্বায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বাধা দেয়া যাবে না। জিনজিয়াংয়ে উইঘুর ও অন্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের অবৈধ আটকাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন অনুসারে, দশ লাখের অধিক উইঘুর মুসলিমকে জিনজিয়াংয়ে নির্বিচারে ও অবৈধভাবে আটক করে রাখা হয়েছে। ওই আটক থাকা অবস্থায়ও ওই বন্দী শিবিরে ব্যাপক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ওই অঞ্চলে নজরদারির এমন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে করে উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মৌলিক স্বাধীনতা বিপন্ন হচ্ছে। এছাড়া উইঘুরদের সংস্কৃতিও ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে।

কানাডা নেতৃত্বাধীন ওই প্রস্তাবে বিভিন্ন প্রতিবেদনের কথা বলা হয়। ওই প্রতিবেদনগুলোতে দেখা যায় যে উইঘুরদের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন করা হচ্ছে, তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করা হচ্ছে, তাদের ওপর যৌন নিপীড়ন করা হচ্ছে আর তাদের সন্তানদের কাছ থেকে জোর করে মা-বাবাকে আলাদা করে রাখা হচ্ছে।

অবশ্য চীন জানিয়েছে, উইঘুরদের ওপর কোনো অত্যাচার-নিপীড়ন ও খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। একইসাথে কানাডাকে দোষারোপ করেছে ওই দেশেটিতে বসবাস করা সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন করা ও তাদের ওপর গণহত্যা চালানোর দায়ে।

সূত্র : আল- জাজিরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twenty − seventeen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য