ভারতের বারাণসী আদালতে জ্ঞানবাপীর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্ট জমা দিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)। মুখবন্ধ খামে এএসআইয়ের পক্ষ থেকে ওই রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে সোমবার। সপ্তাহখানেক আগেই আদালতের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল এএসআই। অবশেষে ওই রিপোর্ট জমা পড়ল। বলা বাহুল্য, জ্ঞানবাপী মামলায় দিক নির্দেশ করবে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার এই সমীক্ষা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মন্দির-মসজিদ বিতর্কের মামলার আবেদনকারীরা বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্টের প্রতিলিপি পাবেন আগামী ২১ ডিসেম্বর। একটি প্রতিলিপি পাঠানো হবে সুপ্রিম কোর্টকেও। হিন্দুপক্ষের আইনজীবী মদন মোহন যাদব বলেন, ‘আজ বারাণসী আদালতে বৈজ্ঞানিক রিপোর্ট জমা দিয়েছে এএসআই।’ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চাইছে উভয়পক্ষ।
গত ২১ জুলাই বারাণসীর জেলা আদালত জানিয়ে দেয়, মসজিদের ওজুখানায় থাকা ‘শিবলিঙ্গ’ বাদে বাকি অঞ্চলের ‘বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’ করবে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। ওই নির্দেশ মেনে রায়দানের মাত্র দু’দিন পরেই শুরু হয় সমীক্ষার কাজ। জ্ঞানবাপীতে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালালে মসজিদ ভেঙে পড়তে পারে এই দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। তবে ওই দাবি খারিজ হয়ে যায় এলাহাবাদ হাই কোর্টে। তবে আদালত জানিয়ে দেয়, ওখানে উপস্থিত কোনো কিছুকেই সরানো যাবে না জায়গা থেকে। মসজিদ কমিটি সুপ্রিম কোর্টে গেলেও হাই কোর্টের রায়ই বজায় রাখে শীর্ষ আদালত।
এদিকে মথুরার শাহী ঈদগাহ মসজিদ মামলায় প্রাথমিক সার্ভের বিষয়ে সায় দিলেও আপাতত ওই নির্দেশ দিলো না এলাহাবাদ হাই কোর্ট। কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির-সংলগ্ন শাহী ঈদগাহের জায়গাতেই শ্রীকৃষ্ণের আসল জন্মস্থান বলে দাবি করে অনেক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন
