Wednesday, October 14, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর‘তালপাতায় পুঁথিচিত্র লিখন-খোদাই পদ্ধতি ইউনেস্কোর ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে’

‘তালপাতায় পুঁথিচিত্র লিখন-খোদাই পদ্ধতি ইউনেস্কোর ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবে’

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, তালপাতায় পুঁথিচিত্র লিখন ও নকশা বা খোদাই পদ্ধতিকে ইউনেস্কো‍‍`র অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠাবে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।তালপাতার উপর ছবি এঁকে ও লিখে সেটাকে খোদাই করে পুঁথিচিত্র তৈরি একটি অনুপম শৈল্পিক কারুকার্য এবং বাংলাদেশে এটি প্রথম।

বঙ্গবন্ধুর বিপ্লবী জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় এবং বাঙালি জাতির ঐতিহাসিক পর্বগুলোকে প্রতীকীভাবে ধারণ করে ফ্রান্স-প্রবাসী কবি ও নাট্যকার চয়ন খায়রুল হাবিবের দীর্ঘ কবিতা ‘বাঙালির পরিচয় কাব্য’ অবলম্বনে তালপাতায় পুঁথি-চিত্রটি অলংকরণ ও নকশা করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা শিল্পী আফরোজা জামিল কংকা; খোদাই কাজ করেছেন ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কারুশিল্পী প্রশান্ত মাহারানা। এ মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য শহিদ কর্ণেল জামিল ফাউন্ডেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।

শুক্রবার (১২ মে) বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে কর্ণেল জামিল ফাউন্ডেশন আয়োজিত শিল্পী আফরোজা জামিল কংকা -এর শিল্পচিত্র ও কবি চয়ন খায়রুল হাবিব -এর কাব্য অবলম্বনে ‍‍`বাঙালির পরিচয় কাব্য‍‍` শীর্ষক তালপাতা পুঁথি-চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, তালপাতার পাখা মানুষের আদি ও অকৃত্রিম বন্ধু। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুও কারাজীবনে তালপাতার পাখা ব্যবহার করেছেন। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, চয়ন খায়রুল হাবিব রচিত ‘বাঙালির পরিচয়‍‍` কাব্যগ্রন্থটি প্রথাগত পুঁথিপড়ার সুর ও ছন্দে রেকর্ড করা হলে সেটি সর্বসাধারণের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, বরেণ্য শিল্পী অধ্যাপক হাশেম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন ফ্রান্স প্রবাসী কবি ও নাট্যকার চয়ন খায়রুল হাবিব। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শিল্পী আফরোজা জামিল কংকা।

এআরএস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen + sixteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য