মাওলানা মামুনুর রশীদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তুরাগ অঞ্চলের সম্মুখসারীর যোদ্ধা। তিনি একটি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল।
গত ২২ সেপ্টেম্বর মাওলানা মামুনুর রশিদকে উত্তরা সেক্টর ১১থেকে অজ্ঞাত তিন জন তুলে নিয়ে যায়৷ তিনি চাঁদাবাজি ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করায় হুমকির মধ্যে ছিলেন।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী থানায় জিডি করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনার রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও এখনও কোনো গ্রেপ্তার নেই, কোনো কার্যকর অনুসন্ধান নেই। এত স্পষ্ট প্রমাণ উপেক্ষা করে প্রশাসনের নীরবতা শুধু মামুনের পরিবারের জন্য নয়, গোটা জাতির জন্যই ভয়াবহ বার্তা বহন করছে। এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক ব্যর্থতার ইঙ্গিত।
ইন্টারিম গভর্নমেন্টের সময়ে গুমের মতো অমানবিক সংস্কৃতি আবার ফিরছে কিনা, সেই প্রশ্ন এখন সবার মনে। গনঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে গুম সংস্কৃতি কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। অবিলম্বে মাওলানা মামুনকে খুঁজে বের করতে হবে এবং ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
প্রতিটি সচেতন নাগরিকের এ বিষয়ে প্রতিবাদ করা উচিত।
