Monday, April 27, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরথমকে যাবে আটলান্টিকের ‘স্রোত’, ডিপ ফ্রিজে পরিণত হবে ইউরোপ!

থমকে যাবে আটলান্টিকের ‘স্রোত’, ডিপ ফ্রিজে পরিণত হবে ইউরোপ!

যেকোনো সময় থেমে যাতে পারে মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সার্কুলেশন (এএমওসি)। এটি এক ধরনের স্রোত। এ বিষয়ে সতর্ক করে মঙ্গলবার একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।


ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিটার ডিটলভসেন এবং সুজান ডিটলভসেন নেচার কমিউনিকেশনে প্রকাশিত একটি পিয়ার-রিভিউড নিবন্ধে এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন। তবে অনেক বিজ্ঞানীই এই গবেষণায় সবকিছু অতি সরলীকরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট ও ডেইলি মেইলের

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে যে হারে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ চলছে তাতে করে চলতি শতকের মাঝামাঝি সময়ে এই এএমওসি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি আরও আগে, ২০২৫ সালের মধ্যেই এই স্রোত বন্ধ হতে পারে। তবে খুব বেশি আশাবাদী হলে এই স্রোত ২০৯৫ সাল পর্যন্ত টিকে থাকবে।

আটলান্টিক মেরিডিওনাল ওভারটার্নিং সার্কুলেশন বা এএমওসি গালফ স্ট্রিম বরাবর উষ্ণ পানির স্রোত উত্তর দিকে পাঠায়। ফলস্বরূপ কানাডার সমান অক্ষাংশে থাকা ইংল্যান্ড অনেক বেশি উষ্ণ। বিপরীতে কানাডা অনেক বেশি শীতল।

টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব মিউনিখের নিকলাস বোয়ার্স বলেন, ‘মডেলিংটি অত্যধিক সরলীকৃত। গবেষকদ্বয় স্বীকার করেছেন যে তারা এমনটা অনুমান করেছেন কেবল, এটি নিশ্চিত নয়।’

তবে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, যদি সত্যই এই স্রোত থেমে যায় তাহলে এর পরিণতি নিয়ে গবেষকদ্বয় সে আভাস দিয়েছেন তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। ব্রিস্টল গ্ল্যাসিওলজি সেন্টারের পরিচালক জোনাথন ব্যাম্বার বলেন, ‘এএমওসি-থেমে যাওয়ার অর্থ হলো পুরো বিপর্যয়কে ডেকে নিয়ে আসা।’

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত বিশ্বের ইতিহাসে রেকর্ড করা উষ্ণতম মাস হতে যাচ্ছে জুলাই। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ফলে উত্তর আটলান্টিকে গ্রিনল্যান্ডের বরফের স্তর গলে ঠান্ডা ও তাজা পানি বেরিয়ে আসছে, যা কিনা উষ্ণ স্রোতের তাপমাত্রা কমিয়ে দিচ্ছে।

ডিটলভসেন্সের গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইউরোপীয় এবং উত্তর আমেরিকার আটলান্টিক উপকূলরেখার কাছাকাছি যেসব স্রোত বয়ে যায় সেগুলোর গতি কমে যাওয়ার পেছনেও এই শীতল পানিই দায়ী। বিষয়টি আমলে নিয়ে গবেষকদ্বয় বলছেন, ‘এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে দ্রুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

তবে জাতিসংঘের আন্তসরকার প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জেস (আইপিসিসি) সম্প্রতি আবিষ্কার করেছে, এই শতাব্দীতে এএমওসি হঠাৎ বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

18 − eight =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য