Saturday, June 6, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরদুই ছেলের মারামারি দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বাবার মৃত্যু

দুই ছেলের মারামারি দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বাবার মৃত্যু

মাদারীপুরের শিবচরে দুই ছেলের মারামারি দেখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে, মান্নান সরকার (৭০) নামে এক বাবার মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের কাদিরমুন্সীর কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মান্নান সরকারের ছেলে চাঁনমিয়া সরকার ও আবু কালাম সরকারের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দুপুরে বড় ভাই চাঁনমিয়া ঘর নির্মাণের জন্য ইট কিনে এনে, বাড়ির এক জায়গায় রাখছিলেন। তখন ছোট ভাই আবু কালাম ওই স্থানে ইট রাখা ও ঘর নির্মাণের জন্য বাঁধা দেন। এতে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়ে একে অপরকে কিলঘুষি মারতে থাকেন। তখন বৃদ্ধ বাবা আব্দুল মান্নান সরকার দুই ছেলের ঝগড়া থামাতে এগিয়ে আসেন। সেই সময় বড় ভাইয়ের ঘুষিতে ছোট ভাইয়ের নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তা দেখে তাদের বাবা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিকাল ৪ টার দিকে পরিবারের লোকজন তাকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  খবর পেয়ে শিবচর থানার এসআই রাম প্রসাদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্রাদার (পুরুষ নার্স) হারুন অর রশীদ বলেন, ‌‘বিকালে ওই ব্যক্তিকে তার আত্মীয়-স্বজনরা মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন।’ 

শিবচর থানার এসআই রাম প্রসাদ বলেন, ‘স্থানীয় সবার সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, দুই ছেলের ঝগড়া দেখে বৃদ্ধ বাবা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে, অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আমির হোসেন সেরনিয়াবাত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়।’

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 − six =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য