ধারণক্ষমতার পাঁচগুণ বেশি জনসংখ্যা নিয়ে ডুবছে রাজধানী ঢাকা। আয়তন ও অবকাঠামোগত অবস্থান অনুযায়ী ৭০ থেকে ৭৫ লাখ মানুষের ভার বহন করার মতো এ শহরটিতে এখন ৩ কোটি ৬৬ লাখের বেশি মানুষের বাস। নতুন করে প্রতিদিন গড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ এ শহরে থিতু হচ্ছেন। ফলে সেবা খাত প্রায় ভেঙে পড়েছে। একজনের সেবা পাঁচজনের মধ্যে ভাগ করে দিতে গিয়ে ত্রাহী অবস্থা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোরও।
বিপুল জনসংখ্যার কারণে রাজধানীর অধিকাংশ এলাকা এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। যানজট, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা আর অতিরিক্ত মানুষের ভারে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মেগা সিটিগুলোর মধ্যে জনসংখ্যা অনুপাতে ঢাকা দুই নম্বরে থাকলেও বাসযোগ্যতার দিক থেকে এটি ১৭১তম স্থানে। বাংলাদেশের রাজধানীর পরে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার ত্রিপোলি আর সিরিয়ার দামেস্ক। সুযোগ-সুবিধা আর পরিবেশগতভাবে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালার অবস্থানও ঢাকার উপরে। এমন অবস্থা চলমান থাকলে ২০৩০ সালে ঢাকা পুরোপুরি বাসযোগ্যতা হারাবে। এমন অভিমত নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের।
দেশের সব মানুষ ঢাকামুখী কেনÑএমন প্রশ্ন ছিল পরিবেশবিদ, নগরবিদ ও শিক্ষাবিদদের কাছে। তারা বলেন, সরকারের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অভাব, ঢাকাকেন্দ্রিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, গ্রামাঞ্চলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিকল্প কর্মসংস্থান গড়তে না পারা এবং রাজধানীকে প্রশাসনসহ সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করায় মানুষের মধ্যে ঢাকামুখী হওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।
নগরবিদরা জানান, ভালো কর্মসংস্থান, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও উন্নত জীবন, উন্নত চিকিৎসা, সন্তানদের ভালো পড়ালেখা এবং সহজে আয়-রোজগারের পথ তৈরির মানসিকতা মানুষের মধ্যে ঢাকামুখী প্রবণতা তৈরি করছে। ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে দ্রুত প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, জনসংখ্যা ও জনশক্তি নিয়ে নীতিমালা এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর জোর দেন তারা।
পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব এবং নদীভাঙনের কারণে প্রতি বছর প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। তারাও ঢাকায় এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এতে অপরিকল্পিত বস্তিঘর বাড়ছে। সেইসঙ্গে বর্জ্য বাড়ানোর সাথে পাল্লা দিয়ে পরিবেশ, পানি ও বায়ুদূষণের পাশাপাশি বৃক্ষনিধন হচ্ছে। জলাবদ্ধতা, যানজট ও স্বাস্থ্য সংকটের শিকারও হচ্ছে তারা।
ঢাকায় কত লোকের বসবাস
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ঢাকা মহানগরের আয়তন দেশের মূল ভূখণ্ডের মাত্র এক শতাংশ। ১৯৭১ সালে ঢাকার জনসংখ্যা ছিল ১৮ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার মাত্র দুই শতাংশ। ২০০০ সালে এ শহরের লোকসংখ্যা ছিল এক কোটি ৭৪ লাখ। জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্সের (ইকোসক) ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকার জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬৬ লাখে।
জাতিসংঘের আবাসন প্রোগ্রামের (ইউএন-হ্যাবিট্যাট) প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি বাসযোগ্য শহরের প্রতি একরে ৬০ জন বসবাস করতে পারে। সর্বোচ্চ মানদণ্ডেও এই সংখ্যা ১২০ জনের মধ্যে সীমিত রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু ঢাকা শহরে গড়ে প্রতি একরে এখন ৮০০ মানুষ গাদাগাদি করে বাস করছে। এটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ১৩ গুণ বেশি। তবে তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে এ শহরে সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৭৫ লাখ পর্যন্ত মানুষ বসবাস করতে পারে। এ সংখ্যার বিপরীতে বর্তমানে ঢাকায় পাঁচগুণ বেশি মানুষ বসবাস করছে।
নগরবিদদের মতে, ৫৫ বছর আগে ১৮ লাখ মানুষ নিয়ে গঠিত প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকার ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামো এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা খুব একটা না বাড়লেও ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ছে জনস্রোত। তারা বলেন, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের বড় অংশই ঢাকা মহানগরীতে। বহু গ্রামীণ নারী-পুরুষ এখন কাজের জন্য ঢাকায় চলে আসেন।
ভেঙে পড়েছে সেবা খাত
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অপরিকল্পিতভাবে ঢাকার সব রাস্তা, সড়ক ও ফুটপাত তৈরি করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার মধ্যে এখন আর তারতম্য নেই। বলা চলে, পুরো ঢাকাই এখন আবাসিক এলাকায় পরিণত হয়েছে।
কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমানে ঢাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের পরিষেবায় প্রকট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে দুই সিটি করপোরেশনের যে সক্ষমতা রয়েছে, সেটা দিয়ে এখন বড়জোর ৮০ লাখ থেকে এক কোটি লোককে সেবা দেওয়া যায়। কিন্তু সেবা দিতে হচ্ছে ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষকে। ফলে প্রতিক্ষেত্রেই সংকট তৈরি হচ্ছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বের ১৭৩টি শহরের ওপর ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) পরিচালিত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয়বারের মতো ১৭১তম স্থানে রয়েছে ঢাকা। ইআইইউর চলতি বছরের গ্লোবাল লায়াবিলিটি ইনডেক্সে দেখা গেছে, স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোসহ পরিষেবার দিক থেকে ঢাকার মোট স্কোর ৪২। ঢাকার নিচে রয়েছে শুধু ত্রিপোলি ও দামেস্ক। তালিকায় ত্রিপোলির অবস্থান ১৭২তম এবং দামেস্ক রয়েছে সর্বশেষ ১৭৩তম স্থানে।
ঢাকা নিয়ে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘিঞ্জি এ নগরীতে বর্জ্য সর্বত্র ছড়িয়ে থাকে। যানজটের কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তিও অন্তহীন। অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পাশাপাশি পথঘাট তলিয়ে যায়। এ শহরে বস্তির সংখ্যাও প্রায় ৫ হাজার। কোনো কোনো বস্তিতে প্রতি বর্গকিমিতে প্রায় সোয়া দুই লাখ মানুষ বাস করে, যা অকল্পনীয়।
জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্সের প্রতিবেদনে আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে হারে ঢাকার জনসংখ্যা বাড়ছে, তাতে ২০৫০ সালের দিকে এটি বিশ্বে এক নম্বর মেগাসিটি হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। ওই সময় এ শহরের জনসংখ্যা ৫ কোটি ২১ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
ঢাকা বর্তমানে কতটা বসবাসযোগ্যÑএমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, ঢাকায় এখন যে হারে মানুষ বাড়ছে, তাতে নাগরিকসেবা নিশ্চিত করা কঠিন। আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন, ঢাকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া এগুলোর কোনোটাই কাজে আসবে না। সরকার এখন এ বিষয়গুলোকে অ্যাড্রেস করে কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে। ঢাকার ওপর চাপ কমাতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায়, ভালো ফল আসবে।
সক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ ঢাকায় বসবাস করায় নাগরিক সেবা নিশ্চিত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম। আমার দেশকে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত মানুষ বসবাস করায় তাদের প্রাপ্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা একধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
ঢাকা থেকে মানুষ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটি জাতীয় ইস্যু। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের কিছু করার সুযোগ কম। আমরা নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি। ইতোমধ্যে জনবল বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
সবাই কেন ঢাকায় আসছে
সবাই কেন ঢাকামুখীÑএমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মু. মুসলেহ উদ্দিন হাসান আমার দেশকে বলেন, ভালো চিকিৎসা, উন্নত জীবন, ভালো লেখাপড়া সবই এখন ঢাকায়। ভালো কর্মসংস্থানও ঢাকায়। গ্রামের বেকার ছেলেটি কিছু করার জন্য ঢাকায় চলে আসছে। কিছু করতে না পারলে একটি অটোরিকশা নিয়ে নেমে পড়ছে কিংবা একটি ঝুড়ি-বালতি নিয়ে সড়ক ও ফুটপাতে কিছু নিয়ে বসে পড়ছে। বেচাকেনা তো হয়ে যাচ্ছে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণে সময়োপযোগী পরিকল্পনা এবং পদ্ধতিগত পরিবর্তনের ওপর জোর দেন এ শিক্ষাবিদ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, ঢাকা শহরের লোকসংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ স্থানান্তর বা মাইগ্রেশন। কাজের সুযোগ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন, ছেলেমেয়েদের ভালো পড়ালেখা, উন্নত চিকিৎসা এবং কর্মসংস্থানের আশায় গ্রাম থেকে এখন রাজধানীমুখী মানুষ। এ ধারার পরিবর্তন করতে সরকারকে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটা কার্যকর করতে হবে।
কয়েকটি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে অধ্যাপক মঈনুল আরো বলেন, কয়েক দশক আগে থেকে ঢাকামুখী যে স্রোত শুরু হয়েছিল, সেটা করোনার সময় কিছুটা কমেছিল। ওই সময় বহু মানুষ ঢাকা ছেড়ে পরিবার নিয়ে গ্রামে চলে গিয়েছিল। করোনার দুর্যোগ কেটে যাওয়ার পর আগের চেয়ে আরো বেশি হারে এখন মানুষ ঢাকার দিকে আসছে।
সব কাজের কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা
বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৮টি সরকারি মেডিকেল কলেজের অধিকাংশই ঢাকার বাইরে হলেও ৯২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধিকাংশই ঢাকায় অবস্থিত। ঢাকার বাইরে অবস্থিত সব বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদেরও কর্মসংস্থানের গন্তব্যস্থল এখন ঢাকা। একজন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করতে বিদেশে যাবেন কিংবা বিদেশে থাকা কেউ তার নিকটাত্মীয়কে নিজের কাছে নেবেন, সেসব কাগজপত্র সত্যায়িত করতেও ঢাকায় আসতে হচ্ছে। এ ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে জনস্রোত কোনোভাবেই থামানো যাবে না বলেও আশঙ্কা তাদের।
এ বিষয়ে অধ্যাপক মঈনুল বলেন, ঢাকাকে দেশের সব কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানেরই প্রধান কার্যালয় ঢাকায়। চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবীÑ সবাই ঢাকায় থাকতে চায় এ কারণে। সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা সব একাকার হয়ে গেছে। অনেক দেশই এখন বিকল্প শহর তৈরি করছে। শুধু প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে সেখানে। সব শিল্পকারখানাও রাজধানীর আশপাশে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ঢাকায়।
তিনি বলেন, নদীভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। নদীভাঙনের শিকার মানুষও মাথা গোঁজার জন্য ঢাকায় চলে আসছে। জনসংখ্যার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারের কোনো সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবভিত্তিক নীতি নেই। এটাও ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
সড়কপথ, রেলপথ, আকাশপথ ও নৌপথে যাত্রী পরিবহনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক আমার দেশকে বলেন, যাত্রীদের ঢাকায় আসা ও ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার মানুষ নতুন করে ঢাকায় থিতু হচ্ছেন। ঢাকা অভিমুখে জনতার এ স্রোত রোধ করতে হলে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলায় উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
