Monday, June 1, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরনিত্যপণ্যের বাজারে অসহায় ক্রেতা, নিম্ন-মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে মাছ-মাংস

নিত্যপণ্যের বাজারে অসহায় ক্রেতা, নিম্ন-মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে মাছ-মাংস

বাজারে নিত্যপণ্যের দামে অসহায় ক্রেতা সাধারণ। মাছ-মুরগি থেকে শুরু করে বাজারের অধিকাংশ পণ্যের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। একটু কম দামের আশায় নিত্যপণ্যের বাজারে নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ছোটাছুটি করছেন। তবে তাতে মিলছেনা কোনো স্বস্তির খোঁজ।

ক্ষুব্ধ ক্রেতাদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীলদের মুখে কথার ফুলঝুরি ফুটলেও বাজার নিয়ন্ত্রণে তাদের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই।

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচ ও গরুর মাংসের। তবে আগের সপ্তাহে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। তবে কয়েকটি শীতের সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এছাড়া প্রায় অপরিবর্তিত আছে অন্যসব পণ্যের দাম।

প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হতো ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-২৯০ টাকায়। বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০ টাকা।

আকারভেদে বাঁধাকপি ও ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০-৫০ টাকা, চালকুমড়া পিস ৫০-৬০ টাকা। লম্বা ও গোল বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। শিম ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা ও প্রতি কেজি আলু ২৭-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

স্থানভেদে বিভিন্ন বাজারে বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৮০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৫৫-৬০ টাকা, ঝিঙ্গা ৭০-৯০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৭০, ধুন্দুল ৫০-৬০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১২০ টাকা ও গাজর ৪০-৫০ টাকা,  প্রতি পিস লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রায় অপরিবর্তিত আছে অন্যসব সবজির দাম। যদিও সবজির দাম ওঠা-নামার মধ্যেই থাকে।

এদিকে, পেঁয়াজ (নতুন) ৩৫-৪০ টাকা,  প্রতি কেজি বড় রসুনের ২০০ টাকা, ছোট রসুনের ১২০-১৩০ টাকায়। বাজারে কমেছে আদার দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায় ও বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। বাজারে খোলা আটার কেজি ৬০ টাকা। প্যাকেট আটার কেজি ৬৫ টাকা। আগে কেজি ছিল ৭০ টাকা। ২ কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।

বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ টাকায়। লবণের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকায়। মসলার বাজারে দাম অনেকটা গত সপ্তাহের বাজারের মতোই।

অপরদিকে, বাজারে খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার- এক হাজার ১০০ টাকায়। আগে বিক্রি হতো ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

স্থানভেদে রুই, কাতলা, মৃগেল কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪০-৩৬০ টাকায়। পাঙাশের কেজি ১৫০-১৬০, তেলাপিয়া ১০০ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এআরএস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twenty + 11 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য