Tuesday, April 21, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরনিরাপদ খাদ্য মজুদ নেমেছে অর্ধেকে

নিরাপদ খাদ্য মজুদ নেমেছে অর্ধেকে

দেশে নিরাপদ খাদ্য মজুদ অর্ধেকে নেমে গেছে। নিরাপদ খাদ্য মজুদ হিসেবে চাল ও গম মিলিয়ে মজুদ থাকার কথা ১০ লাখ মেট্রিক টন। সেখানে বর্তমানে খাদ্য মজুদ রয়েছে ৫ লাখ ২৮ হাজার মেট্রিক টন। এ পরিস্থিতিতে দেশে দ্রত খাদ্য মজুদ গড়ে তোলার জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়। দফা দফায় ভারত, মিয়ানমার, রাশিয়া ও আর্জেন্টিনা থেকে চাল ও গম আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে। এর আগে এই সব দেশ থেকে চাল ও গম কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখন নতুন করে ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি গত ফেব্রæয়ারির এক পরিসংখ্যানে উল্লেখ করেছে, চলতি অর্থবছর (২০২০-২১) শেষে অর্থাৎ আগামী জুন শেষে খাদ্যের নিরাপত্তা মজুদ হিসেবে প্রায় ৮ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং দুই লাখ মেট্রিক টন গম থাকা আবশ্যক। সে হিসাব ধরে অর্থবছরের অবশিষ্ট সময়ের জন্য আরো ১১ লাখ ৬ হাজার ৮৫৮ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৭১ টন গম প্রয়োজন পড়বে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ২ দশমিক ০৮ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে তিন লাখ মেট্রিক টন চাল এবং জি-টু-জি ভিত্তিতে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া জি-টু-জি ভিত্তিতে আরো সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের জন্য চুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জানা গেছে, এখন নতুন করে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে আরো ৫০ হাজার মেট্রিক টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। প্যাকেজ-১১-এর আওতায় ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বাগাদিয়া ব্রাদার্স’ থেকে এ চাল আমদানি করা হবে। প্রতি মেট্রিক টন ৪১৬ ডলার হিসেবে চাল আমদানিতে বাংলাদেশী মুদ্রায় ব্যয় হবে ১৭৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

এ দিকে সরকার ঘোষিত ধান ও চালের মূল্য বাজার দরের তুলনায় কম হওয়ার কারণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গত বোরো মৌসুমে ধান ও চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। চলতি আমন মৌসুমেও এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না বলে মনে করছে খাদ্যবিভাগ।

তাদের হিসাব মতে, গত বোরো মৌসুমে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। এ ছাড়া চলতি আমন মৌসুমে ২ লাখ মেট্রিক টন ধান ও সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে গত ৩ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৭ হাজার ৫৬৭ মেট্রিক টন ধান ও ৫২ হাজার ২৭৬ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে বাজারে খাদ্যশস্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিদেশ থেকে চাল ও গম আমদানি করা ছাড়া সরকারের হাতে আর কোনো বিকল্প খোলা নেই বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nine − two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য