Tuesday, October 27, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরশিশু নির্যাতন ও আইন হাতে তুলে নেওয়া- কোনোটাই মেনে নেয়া যায় না...

শিশু নির্যাতন ও আইন হাতে তুলে নেওয়া- কোনোটাই মেনে নেয়া যায় না : হেফাজতে ইসলাম

সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান গতকাল শনিবার সংবাদমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়। যেকোনো ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করাটা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যাটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক সমস্যা। এটি শুধু কোনো একটি কমিউনিটিকেন্দ্রিক সমস্যা তা নয়। স্কুল, মাদরাসা, এমনকি অন্যান্য পরিসরেও সমস্যাটি কমবেশি বিদ্যমান। নিজস্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধ করতে এ বছরের গত ১৯ সেপ্টেম্বর আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ দেশের ৬টি কওমি মাদরাসা বোর্ড এবং এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এতে প্রতিটি মাদরাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন বা সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যেকোনো অভিযোগ সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া, মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী মনিটরিং সেল ও অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে যে, কোনো মাদরাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ না থাকলে, কমিটি নিষ্ক্রিয় থাকলে, অথবা কোনো অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সেটির অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে। এক্ষেত্রে স্কুল ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে। সিসি ক্যামেরায় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা সব স্কুল-মাদরাসাকে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষীকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় শাস্তি ভোগ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো শিথিলতা বা আপস চলবে না। আজকের শিশু শিক্ষার্থীরা আগামীর ভবিষ্যত। তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা ও নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্বে কোনো ছাড় নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one + 12 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য