Thursday, July 2, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকপৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে উত্তপ্ত জুনের সাক্ষী হলো মহাসাগরগুলো, আরও  তাপপ্রবাহ আসছে, তৈরি...

পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে উত্তপ্ত জুনের সাক্ষী হলো মহাসাগরগুলো, আরও  তাপপ্রবাহ আসছে, তৈরি হতে যাচ্ছে গরমের নতুন নতুন রেকর্ড

বিশ্বের মহাসাগরগুলো এবার ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুন মাসের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস মেরিন সার্ভিসের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জুনজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা রেকর্ড ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা অতিক্রম করেছে জুন মাসের সমস্ত রেকর্ড। প্রতিবেদন বলছে, বছরের প্রথম ছয় মাসজুড়েই সমুদ্রের তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে। 

সংস্থাটির প্রধান সমুদ্রবিজ্ঞানী সাইমন ভ্যান জেনিপ জানান, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৮২ শতাংশ মহাসাগর তাপপ্রবাহের প্রভাবে রয়েছে। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগর, উত্তর আটলান্টিকের মধ্যাঞ্চল এবং নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বেশি উষ্ণ হয়ে উঠেছে। তার ভাষায়, বৈশ্বিক মহাসাগর এখন দীর্ঘস্থায়ী তাপীয় চাপের মধ্যে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হলে আগামী মাসগুলোতে সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অঞ্চলের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা, যা বৈশ্বিক আবহাওয়ার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। এর কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, খরা, দাবানল এবং শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুওনটেম্পো সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে নতুন নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাসাগর পৃথিবীর জলবায়ু ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের কর্মকাণ্ড থেকে সৃষ্ট অতিরিক্ত তাপের প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্র শোষণ করে নেয়। তবে সমুদ্র অতিরিক্ত উষ্ণ হয়ে পড়লে বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়, যা ঘূর্ণিঝড় ও অতিভারী বৃষ্টিপাতের মতো দুর্যোগকে আরও তীব্র করে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি আরও বাড়বে।

সূত্র : আল জাজিরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 + twelve =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য