২১৪৫. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হয়, তখন সালাতে দৌঁড়িয়ে আসবে না বরং তোমরা ধীরস্থিরতা বজায় রেখে আসবে। অতঃপর সালাতের যা পাবে, তা আদায় করবে, আর যা ছুটে যাবে, তা (ইমামের সালামের পর) সম্পন্ন করবে। কেননা তোমাদের কেউ সালাতের জন্য মাসজিদে গমন অবস্থায় থাকলে, সে সালাতের মধ্যেই থাকে।”[1]
আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “মহান আল্লাহ বলেন, “যখন জুমু‘আর দিন সালাতের জন্য আহবান করা হয়, তখন তোমর আল্লাহর যিকরের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও।–সূরা জুমু‘আহ: ৯)।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা সালাতে দৌঁড়িয়ে দৌঁড়িয়ে আসবে না।”
মহান আল্লাহ যে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এর দ্বারা উদ্দেশ্য সালাতের জন্য মানুষের স্বাভাবিক হেঁটে যাওয়া। আর হাদীসে যে দ্রুত গমন করা নিষেধ করা হয়েছে, সেটা হলো দ্রুতগতিতে হাঁটা। কেননা একজন মানুষ আদায় করার জন্য যে পদক্ষেপ ফেলে তার প্রতিটি পদক্ষেপে তার জন্য একটি সাওয়াব লেখা হয়। এজন্য আমি এই জাতীয় হাদীসের শিরনামে আমি বর্ণনা করেছি যে, আরবরা তাদের ভাষায় একই শব্দকে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করে থাকে, যার একটি আদিষ্ট হয়, আরেকটি নিষিদ্ধ হয়।”
আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “ইসহাক আবূ আব্দুল্লাহ যায়িদার আজাদকৃত দাস। তিনি তাবে‘ঈর অন্তর্ভুক্ত।”
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/৬৮-৬৯; মুসনাদ ইমাম শাফে‘ঈ: ১/১২২; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৩৭; আবূ আওয়ানা: ১/৪১৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ৪৪২; সুনান বাইহাকী: ২/২৯৮; সহীহ মুসলিম: ৬০২।
