Friday, June 12, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসপ্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

প্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُوعِ فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيعُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (দু’আয়) বলতেনঃ

’’আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা, মিনাল জূ’ই ফাইন্নাহূ বি’সায্ যজী’উ, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিনাল খিয়া-নাতি ফাইন্নাহা- বি’সাতিল বিত্বা-নাহ্’’

(অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে অভুক্ত হতে আশ্রয় চাই, কেননা তা মানুষের কতই না খারাপ নিদ্রা-সাথী এবং তোমার কাছে আশ্রয় চাই বিশ্বাসঘাতকতা হতে, কেননা বিশ্বাসঘাতকতা কতই না মন্দ অদৃশ্য স্বভাব।)। (আবূ দাঊদ, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ)[1]

[1] হাসান : আবূ দাঊদ ১৫৪৭, নাসায়ী ৫৪৬৮, ইবনু মাজাহ ৩৩৫৪, সহীহ ইবনু হিববান ১০২৯, সহীহ আল জামি‘ ১২৮৩।

ব্যাখ্যা: অত্র হাদীসের প্রথমে ক্ষুধা থেকে আশ্রয় চাওয়া অর্থ হচ্ছে পেটে খাবার না থাকার কারণে প্রাণীরা যে কষ্ট অনুভব করে সে কষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়া। এর থেকে আশ্রয় চাওয়া হচ্ছে এ জন্যে যে, ব্যক্তির শরীরের উপর ক্ষুধার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ক্ষুধাহীনতা ব্যক্তিকে বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে শক্তিশালী করে এবং ক্ষুধা আল্লাহর আনুগত্যমূলক ও কল্যাণ কাজ থেকে বিরত রাখে। ক্ষুধাকে ঘুমের মন্দ সাথী বলা হয়েছে এজন্য যে, এটি ব্যক্তিকে ‘ইবাদাত পালনে বাধা দেয়, মস্তিষ্ককে বিশৃঙ্খল করে, বিভ্রান্তিমূলক চিন্তা ও বাতিল ধ্যান-ধারণার উদ্রেক ঘটায় এবং সর্বোপরি রাতে ঘুমাতে দেয় না।

খিয়ানাত হলো আমানাতের বিপরীত। ইমাম ত্বীবী বলেনঃ খিয়ানাত হলো গোপনে অঙ্গীকার ভঙ্গের মাধ্যমে সত্যের বিরোধিতা করা। বাহ্যিকভাবে এটি সমস্ত শার‘ঈ দায়িত্বকে শামিল করে। যেমনটি আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বলেছেন। (দেখুন: সূরা আল আহযা-ব ৩৩ : ৭২, সূরা আল আনফাল ৮ : ২৭)

যখন মানুষ থেকে খিয়ানাতকে আড়াল রাখা হয়, প্রকাশ করা হয় না। তখন তাকে (بِطَانَةُ) ‘‘বিত্বা-নাহ্’’ বলে। ইমাম ত্বীবী বলেন, ‘‘বিত্বা-নাহ্’’ হলো প্রকাশ্যের বিপরীত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

13 − 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য