وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَثَلُ عِلْمٍ لَا يُنْتَفَعُ بِهِ كَمَثَلِ كَنْزٍ لَا يُنْفَقُ مِنْهُ فِي سَبِيل الله» . رَوَاهُ الدَّارمِيّ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ’ইলম বা জ্ঞান দ্বারা কারো কোন উপকার হয় না, তা এমন এক ধনভান্ডারের ন্যায় যা থেকে আল্লাহর পথে খরচ করা হয় না। (আহমাদ ও দারিমী)[1]
[1] হাসান : আহমাদ ১০০৯৮, দারিমী ৫৫৬। যদিও আহমাদের সানাদে ‘‘ইবনু লাহ্ইয়াহ্ দাবরাজ আবুস্ সাম্হ’’ থেকে বর্ণনা করেছেন যারা উভয়েই দুর্বল। এছাড়াও দারিমীর সানাদে ‘‘ইব্রাহীম ইবনু মুসলিম আল হিজরী’’ নামে একজন দুর্বল রাবী রয়েছে। তবে এ দু’ বর্ণনার সমষ্টিতে হাদীসটি হাসানের স্তরে উন্নীত হয়েছে। বিশেষত তার একটি সহীহ শাহিদ বর্ণনা থাকায়।
ব্যাখ্যা: হাদীসটি থেকে বুঝা যায়, বিদ্যা যদিও উপকারী কিন্তু তা শিক্ষার পর যদি সে অনুযায়ী ‘আমল করা না হয় এবং মানুষকে শিক্ষা দেয়া না হয় তাহলে এ ধরনের বিদ্যার দৃষ্টান্ত ঐ গচ্ছিত ধন-ভান্ডারের মতো যা থেকে ব্যক্তি নিজের ওপর খরচ করে না এবং কোন কল্যাণকর কাজেও ব্যয় করে না। হাদীসে বিদ্যার সাথে গচ্ছিত ধন ভান্ডারের সাদৃশ্য দেয়া হয়েছে তা উপকৃত না হওয়ার দিক দিয়ে। মোদ্দা কথা- বিদ্যার সার্থকতা হচ্ছে ‘আমল ও অপরকে তা শিখানো; যদি এটি করা না হয় তাহলে সার্থকতা নষ্ট হয়। হাদীসটি মানুষকে বিদ্যা শিক্ষার পর সে অনুপাতে ‘আমল করতে ও অন্যকে তা শিখাতে উৎসাহিত করছে।
