স্বেচ্ছাদান ও ওয়াকফের মতো ফিনটেক উন্নয়নও জাকাতের বার্ষিক মূল্য বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখতে পারে। ইসলামিক মার্কেটস ডটকমের এক সমীক্ষায় এমনটি প্রকাশ পেয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইসলামিক ফিনটেক খাতে কর্মরত ৮৪ শতাংশই মনে করেন, আগামী পাঁচ বছরে স্বেচ্ছাদান ও ওয়াকফের মতো ফিনটেক উন্নয়ন জাকাতের আর্থিক মূল্য বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। তারা ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা করে।
ইসলামিকমার্কেটস ডটকম গত ৫-৬ অক্টোবর কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ‘দ্য গ্লোবাল ইসলামিক ফাইন্যান্স ফোরাম ২০২২’-এর সমর্থনে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে মানুষের মতামত গ্রহণ করে।
সমীক্ষায় ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং আর্থিক সেবার ডিজিটাইজেশনকে স্বেচ্ছাদানের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে প্রভাবক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কেননা ফিনটেক উন্নয়ন স্বেচ্ছাদান, জাকাত ও ওয়াকফের আর্থিক লেনদেনকে অনেক বেশি স্বচ্ছ করেছে। ‘দ্য গ্লোবাল ইসলামিক ফাইন্যান্স ফোরাম ২০২২’-এর চেয়ারম্যান আরসালান আহমেদ বলেন, ডিজিটাইজেশন ও ফিনটেকের পরিমাণ বৃদ্ধি ইসলামিক ফাইন্যান্সের সম্প্রসারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, এর দ্বারা সাধারণ স্বেচ্ছাদান ও জাকাত খাতও উপকৃত হবে। তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তি আমাদের সব কিছুর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। এটা আগামী পাঁচ বছর ইসলামিক ফাইন্যান্সে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। কেননা এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে ও মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদানকে আরো সহজতর করবে।
জাওয়া ডটকম অবলম্বনে
