ফিলিস্তিনিদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে বলে জোর তাকিদ দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (২২ নভেম্বর) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মানবিক বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত ডেভিড স্যাটারফিল্ড লেবাননের সম্প্রচারক আল জাদেদকে বলেছেন, ওয়াশিংটন গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতির বিরুদ্ধে।
তিনি হিজবুল্লাহকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তারা যদি উত্তেজনা এড়াতে চায়, তাহলে যেন ইসরাইলের ওপর হামলা বন্ধ করে।
এদিকে, ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ বিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, মিসর ও জর্ডান। দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে জোর দিয়ে বলেছে, চুক্তিটি চার দিন থেকে বাড়ানো উচিৎ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা লন্ডনে একটি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা আশাবাদি, এই চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের আলোচনা শুরুর পথকে সুগম করবে।
অপর দিকে, গাজায় নৃশংসতার কারণে ইসরাইলিরাও আর নেতানিয়াহুকে সমর্থন করে না বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান। আলজেরিয়া-তুর্কি ব্যবসায়িক ফোরামে বক্তৃতাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এরদোগান বলেন, গাজায় নৃশংসতার জন্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, নেতানিয়াহু একজন গোনার। তাই ইসরাইলি জনগণ আর নেতানিয়াহুকে সমর্থন করে না।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা ইসরাইলের নীতিকে সহ্য করতে পারি না। কখনো করবও না। তারা ক্রমাগত দখল, জমি দখল ও নিপীড়িতদের গণহত্যা করে গাজাকে জনবসতিহীন করে তুলেছে।’
উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ১৪ হাজারের অধিক মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়া এক মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সূত্র : আলজাজিরা
