ইসরায়েল ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণের জন্য এক কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি তহবিল অনুমোদন করেছে। এই উদ্যোগটি ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যকে ইহুদাইজ করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন।
ইসরায়েলি সরকার ২০২৩ সালে শুরু হওয়া ‘দীর্ঘমেয়াদী উদ্ধার পরিকল্পনার’ অংশ হিসেবে এই তহবিল অনুমোদন দিয়েছে। পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো চুরি হওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ রক্ষা করা, মূল স্থানে পুনঃস্থাপন করা এবং উন্নয়ন প্রকল্প ত্বরান্বিত করা। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, এটি অধিকৃত অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক পরিচয় পরিবর্তনের একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।
ইসরায়েলি হেরিটেজ মন্ত্রী আমিখাই এলিয়াহু বলেছেন, “আমরা পশ্চিম তীরে সার্বভৌমত্বের আনুষ্ঠানিক প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করব না।” তহবিলটি পশ্চিম তীরের উত্তরের ও দক্ষিণের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহে, জর্ডান উপত্যকাসহ অন্যান্য স্থানে প্রযোজ্য হবে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এই অঞ্চলের কিছু স্থান ইহুদি ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সমালোচকরা মনে করছেন, এই নীতি ফিলিস্তিনি ঐতিহ্য দখল এবং পুনঃনির্ধারণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আরও বলেন, এটি ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোকে লুট করার সুযোগ তৈরি করছে এবং ফিলিস্তিনি সংস্কৃতির ওপর প্রভাব বিস্তার করছে। মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এই তহবিল অনুমোদনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র : সাদা নিউজ
